স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করছে বামফ্রন্ট ও প্রদেশ কংগ্রেস। আগামী ২৪ জুন দু’পক্ষের শীর্ষ নেতৃত্বই আলোচনায় বসতে চলেছেন।

ইতিমধ্যেই নিজেদের মত করে বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে বামেরা। সম্প্রতি রাজ্য কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ভার্চুয়াল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকার পাশাপাশি মাঠে-ময়দানে সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়াতে হবে।

আলিমুদ্দিন সূত্রে খবর, করোনা, লকডাউন এবং আমফান পরবর্তী পরিস্থিতিতে রাজ্যের নানা প্রান্তেই ত্রাণ, সব্জি বাজার বা শ্রমজীবী ক্যান্টিন খোলা-সহ বিভিন্ন ধরনের কাজকর্ম চালিয়েছে সিপিএম। সেই কাজের রেশ থাকতে থাকতেই ভোটের প্রস্তুতি শুরু করতে চায় তারা।

কয়েক দিন আগেই রাজ্য কমিটির বৈঠক ছিল। দলীয় সূত্রের খবর, ওই বৈঠকেই কংগ্রেসের সঙ্গে আসন-রফার আলোচনা এখনই শুরু করার কথাও ওঠে। বৈঠকেও কথা হয়েছে, কে কোথায় কত আসনে লড়তে পারে, তার প্রাথমিক রূপরেখা আগে থেকে ঠিক করে রাখাই ভাল। সে ক্ষেত্রে আসন ভাগাভাগি নিয়ে জট কাটানোর পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাবে। আবার এলাকা ধরে ভোটের সাংগঠনিক প্রস্তুতিতেও নেমে পড়া যাবে।

জানা গিয়েছে, সেদিনই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র ও বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসুর মধ্যে ফোনে কথা হয়েছে। দুপক্ষই নিজেদের ঘর গোছানো নিয়ে কথা বলেছে। বিমান বসুও সোমেন মিত্রকে জানিয়েছেন, জোটের প্রসঙ্গে তাদের দলীয় আলোচনার কথা। এরপরই ২৪ জুন সামনাসামনি আলোচনার দিন ঠিক হয়েছে।

করোনা ও আমফান ইস্যুতে বাম-কংগ্রেস কিছু যৌথ কর্মসূচি নিতে পারে। ওইদিন সেবিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলে খবর।

কারণ, সূত্রের খবর, সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠকে বর্ষীয়ান নেতা কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় ক্ষোভের সুরে বলেছিলেন, করোনা, পরিযায়ী শ্রমিক ও আমফান মোকাবিলার ক্ষেত্রে সরকারের নানা গাফিলতি থাকা সত্ত্বেও দল পরিস্থিতির সুযোগ নিতে পারছে না।

ওই বৈঠকে আর এক বর্ষীয়ান নেতা শ্যামল চক্রবর্তী প্রস্তাব দিয়েছেন বিধানসভা কেন্দ্র পিছু সম্ভাব্য মুখ বেছে নিয়ে এখন থেকেই তাঁদের ময়দানে নামিয়ে দেওয়া হোক। দেরি করলে সরকার-বিরোধিতার ফায়দা সব বিজেপি তুলে নিতে পারে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, ২৪ জুন সোমেন মিত্রকে এমন পরামর্শ দিতে পারেন বিমান বসু।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।