শিবপ্রিয় দাশগুপ্ত : ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের (Indian Secular Front ) সঙ্গে আসন রফা শেষ করেছে সিপিএম (CPM )। তবে কংগ্রেসের (Congress ) এর সঙ্গে এখনও ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের আসন রফা নিয়ে কোনও ফায়সালা হয়নি। আগামীকাল শনিবার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি (Adhir Ranjan Chowdhury ) কলকাতায় আসছেন। শনিবারই অধীর রঞ্জন চৌধুরীর প্রথমে সিপিএম-এর সঙ্গে এবং তার পরে ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের বিষয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আলোচনা হবে। এর পর সম্ভবত ২৮ ফেব্রুয়ারির ব্রিগেড থেকেই ঘোষণা হবে বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ নির্বাচনী জোটের কথা।

প্রথম থেকেই ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট ৪০ থেকে ৪২টি আসনের দাবি করে আসছে। সিপিএম আইএসএফ-এর সঙ্গে আসন নিয়ে একটা রফা সূত্র পৌঁছেছে। ইন্ডিয়ান সেক্যুয়ালার ফ্রন্টকে সিপিএম ৩০টি আসন ছাড়তে সম্মত হয়েছে। বাকি ১০ থেকে ১২টি  আসন নিয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের সঙ্গে কংগ্রেসের সহমত হতে হৰে।

এই প্রসঙ্গে সিপিএম (কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রবীন দেবের ( Robin ) দেবের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, “ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের সঙ্গে আমাদের আসন নিয়ে সমঝোতা হয়ে গেছে। কংগ্রেসের সঙ্গেও সমঝোতা হয়ে যাবে। আমরা আশা করছি তৃণমূল এবং বিজেপিকে পরাস্ত করার জন্য আমরা যে জোট করছি সেটা শক্তিশালী হবে এবং আমরা তৃণমূল ও বিজেপিকে পরাস্ত করতে পারবো।”

এদিকে ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট এবং কংগ্রেসের আসন সমঝোতা নিয়ে কংগ্রেস নেতা ও রাজ্য সভার সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্যকে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, “অধীর রাজনাজ চৌধুরীর শনিবার দুপুরে কলকাতায় আসছেন। ওই দিনই সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় বাম, কংগ্রেসের সঙ্গে এই নিয়ে বৈঠক হবে। বৃহস্পতিবার বাম, কংগ্রেস ও ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের নেতা অৱবাস সিইদ্দিকী-র সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। শনিবারই আসন সমঝোতা হয়ে যাবে বলে আমি আশাবাদী।”

প্রসঙ্গত আব্বাস সিদ্দিকীর সঙ্গে বামেদের দুই ২৪ পরগনার ভাঙ্গর ও বসিরহাট (উত্তর ) কেন্দ্র নিয়ে যে সমস্যা চলছিল সেটা কেটে গেছে। কংগ্রেস ও সিপিএম চাইছে আব্বাস সিদ্দিকীকে সঙ্গে নিয়েই ২০২১–এর নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমে পড়তে। কেননা সংখ্যালঘু ভোটার একটা বড় অংশ আব্বাস সিদ্দিকী নিয়ন্ত্রণ করেন। এবারের নির্বাচনে এই সংখ্যালঘু ভোটটা একটা বড় ফ্যাক্টর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।