স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: ডুমুরজলা স্টেডিয়াম হাওড়ার ফুসফুস৷ কিন্তু বর্তমানে তার অবস্থা বেহাল৷ তাই লোকসভা ভোটেও প্রচারে ইস্যু ওই স্টেডিয়াম৷

বছরের প্রথম দিন প্রচারে নেমে হাওড়ার ডুমুরজলা স্পোর্টস কমপ্লেক্স বাঁচাতে আন্দোলনের ডাক দিলেন হাওড়ার বাম প্রার্থী সুমিত্র অধিকারী৷ গত কয়েক বছরে স্টেডিয়ামের হাল না ফেরায় সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়েরও তীব্র সমালোচনা করেন বাম প্রার্থী৷

আরও পড়ুন: মোদীর বায়োপিক দেখবে নির্বাচন কমিশন, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

সুমিত্র অধিকারীর কথায়, ‘‘প্রতিশ্রুতি দিয়েও কথা রাখেননি সাংসদ৷ ১০ লক্ষ টাকা তো দূরের কথা৷ ডুমুরজলা স্টেডিয়ামে বসেনি একটি গোল পোস্টও৷ হাওড়ার মানুষ হিসেবে আমরা ভেবেছিলাম খেলার উন্নতি হবে কিন্তু উল্টো ঘটনা প্রত্যক্ষ করলাম।’’ আগামীতে হাওড়াবাসীকে একত্রিত হয়ে স্টেডিয়াম বাঁচানোর ডাক দেন তিনি৷

নববর্ষের দিন ডুমুরজলা স্টেডিয়াম এলাকায় প্রচার সারেন বাম প্রার্থী৷ সেখানেই বলেন, ‘‘ডুমুরজলা স্টেডিয়ামে খেলাধূলার জন্য বহু উপযোগী মাঠ রয়েছে। প্রাতঃভ্রমণকারী, খেলাধূলার সঙ্গে যুক্ত সকলে এখানে আসেন। এই মাঠ আমাদের কাছে ফুসফুস। হাওড়া শহরের অক্সিজেন নেবার জায়গা এটা। হাওড়া শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছেলেমেয়েরা এসে এখানে খেলাধূলা করত। এখানে খেলাধুলার অনেকগুলো কোচিং সেন্টার চলে। আজকে স্টেডিয়াম কংক্রিটের জায়গায় পরিণত হয়েছে। হেলিপ্যাড তৈরি করে বিরাট অংশের মাঠকে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।’’

আরও পড়ুন: ‘খাঁকি আর্ন্তবাস’ মন্তব্যে মুলায়মে’র পদক্ষেপে’র আর্জি সুষমা’র

তাঁর সংযোজন, ‘‘তুন করে যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে মাঠকে বুজিয়ে দিয়ে ছোটো করে দেওয়া হচ্ছে। আগামীদিনে রিয়েল এস্টেটের ব্যবসা করার জন্য মাঠকে ব্যবহার করা হবে। হাওড়া শহরের ফুসফুস প্রাণকেন্দ্রকে যারা এভবে নষ্ট করছে সেটা কোনওভাবে এখানকার মানুষ মেনে নিতে পারছেন না। ফলে আমরা প্রথম থেকেই দাবি তুলেছি এই খেলার মাঠ ফিরিয়ে দেওয়া হোক।’’

বছরের প্রথম দিনের প্রচারে সকলের হাতে গোলাপ ফুল তুলে দিয়ে শুভেচ্ছা জানান সুমিত্র অধিকারী৷ পরে তিনি কিছুক্ষণ ক্রিকেট খেলেন।