স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রায়গঞ্জ-মুর্শিদাবাদে বামেদের প্রার্থী ঘোষণার পরই বেজায় চটে গিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র। বিধানভবন সূত্রের খবর, শুক্রবার রাতেই দলের হাইকম্যান্ডের কাছে নালিশ জানিয়েছেন তিনি৷

আরও পড়ুন: শুধু আমাদেরই নয়, মোদী সমগ্র দেশের ‘ড্যাডি’: AIADMK

শুক্রবার সন্ধ্যায় কংগ্রেসের চাপ বাড়িয়ে রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদে মহম্মদ সেলিম ও বদরুদ্দোজা খানের নাম ঘোষনা করে দেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। এঁরা দুজনেই গতবারের জয়ী সাংসদ৷ বামেদের এক তরফা ভোট ঘোষণায় অসন্তুষ্ট হয় প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব৷ ইতিমধ্যেই দলের সভাপতি রাহুল গান্ধীর কানেও বিষয়টি পৌঁছে দিয়েছেন সোমেন মিত্র৷

তাঁর বক্তব্য, সিপিএম কথার খেলাপ করেছে৷ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির প্রশ্ন, সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি রাজ্য কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক গৌরব গগৈকে বলেছিলেন, ৮ মার্চ সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠকে কংগ্রেস নেতৃত্বকে তাঁদের সিদ্ধান্ত জানানো হবে৷ তার আগেই কীভাবে
বামফ্রন্ট দু’টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিল?

বামফ্রন্ট চেয়ারম্যানের ঘোষণার পরপরই সিপিএমের সিদ্ধান্তকে দুর্ভাগ্যজনক বলে জানান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র৷ জোট অস্বস্তির কারণ হিসাবে সোমেন মিত্ররা দায় ঠেলেছেন আলিমুদ্দিনের নেতাদের ঘাড়েই৷ এদিন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, ‘‘বামেরা যদি জোটে আগ্রহী না হয় তবে একাই লড়বে কংগ্রেস৷ পুরো বিষয়টি জানানো হবে হাইকম্যান্ডকে৷’’ জোটের দরজা খোলা থাকলেও সোমেনবাবুর কথাতেই স্পষ্ট রাজ্যের বুকে ‘একলা চলো’র জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছেন বিধানভবনের নেতারা৷

আরও পড়ুন: BREAKING: রাহুল গান্ধীর সভার তারিখ পিছল বাংলায়

নিজেদের গড়ে এবার প্রার্থী দিতে চায় হাত শিবির৷ সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন প্রাক্তন প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরি নিজে৷ অন্যদিকে, ২০১৪ সালে জেতা দুটি আসনই ধরে রাখতে মরিয়া সিপিএম৷ ২০১৬-এর জোটসঙ্গীর দাবি মেনে সেই আসন ছেড়ে দিতে নারাজ তারা৷ এই টানাপোড়েনের মধ্যেই শুক্রবার রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদে প্রার্থীদের
নাম ঘোষণা করে দেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান৷ ক্ষিপ্ত প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বেরও হুঙ্কার ওই দুই আসনে তারাও প্রার্থী দেবে৷ ফলে ‘কমন এনিমি’ তৃণমূল, বিজেপি ভুলে ভোট ময়দানের লড়াইতে এখন সম্মুখ সমরে হাত ও কাস্তে-হাতুড়ি শিবির৷

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।