স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ‘দিদিকে বলো’ প্রচারে রাজ্য জুড়ে ঝড় তুলতে চাইছে তৃণমূল৷ সেই প্রচারকেই হাতিয়ার করে শাসক দল ও সরকার পক্ষকে নাস্তানাবুদ করার পরিকল্পনা করছে বাম-কংগ্রেস৷ খুব শীঘ্রই দিদিকে বলোর পাল্টা ‘মুখ্যমন্ত্রীকে বলছি’স্লোগান দিয়ে বিধানসভার ভিতরে হইচই শোরগোল ফেলতে চলেছে তারা৷

১ আগস্ট থেকে চালু হয়েছে তৃণমূলের দিদিকে বলো ক্যাম্পেন। যেকোনও অভাব-অভিযোগ এক ফোনে জানানো যাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীকে। ইতিমধ্যেই তাকে অস্ত্র করে মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধতে পাল্টা ময়দানে নেমেছে সিপিএম। ফেসবুকে ‘দিদিকেই বলছি’ ক্যাম্পেন শুরু করেছে তারা। কদিন আগে প্রদেশ কংগ্রেসও ‘দিদিকে বলছি’ক্যাম্পেন শুরু করেছে৷ বিধানসভায় এবার যৌথভাবে দুই দল সরকারকে বিঁধতে চলেছে৷

আগামী ২৬ তারিখ সোমবার থেকে বিধানসভার অধিবেশন বসছে। তার আগে অধিবেশন শান্তিতে চালানোর জন্য আগামী বুধবার সর্বদলীয় ও কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক ডেকেছেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই দুই বৈঠকে অবশ্য অংশ নেবে বাম ও কংগ্রেস শিবির। ওইদিন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী তাঁর ঘরে কিছু বাছাই বিধায়ককে আলোচনায় ডেকেছেন অধিবেশনে তাঁদের ভূমিকা নিয়ে কৌশলের খসড়া ঠিক করতে। আজ-কালের মধ্যেই কংগ্রেস পরিষদীয় তথা বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নানের সঙ্গে এনিয়ে তাঁর চূড়ান্ত কথাবার্তা হওয়ার কথা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই দলই প্রচারের নাম‘দিদিকে বলছি’রাখলেও বিধানসভার ভিতরে তারা ‘মুখ্যমন্ত্রীকে বলছি’স্লোগান তুলতে চাইছে৷ কারণ দু-দলের বহু বিধায়কেরই দিদি-তে আপত্তি রয়েছে৷ কয়েকদিন আগেই কলকাতা ২৪x৭-কে সিপিএম বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য বলেছিলেন, ‘এই প্রচারের নামকরণেই আমার তীব্র আপত্তি রয়েছে৷ এর নামকরণ হতে পারত ‘মুখ্যমন্ত্রীকে বলো৷ কোথায় ঠিক হল যে উনি সকলের দিদি৷ উনি ওনার দলের লোকেদের কাছে দিদি হতে পারেন কিন্তু আমার দিদি ন৷ আমার কাছে উনি মুখ্যমন্ত্রী৷’