কলকাতা: আসন্ন পুরভোটে এখনও বাম-কংগ্রেসের মধ্যে জোট করে লড়বার ঘোষণা হয়নি। তবে জোট যে হচ্ছেই সে বিষয়েও কোনও পক্ষের মধ্যেই মতান্তর নেই। কিন্তু বাধ সেধেছে আসন সমঝোতা নিয়ে। কে কোন পুরসভায় কাকে কত আসন ছাড়বে তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি দু’পক্ষই। তবে জট কাটাতে লাগাতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট ও বিধান ভবন।

পুরভোটের মুখে বামেদের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে ফের সম্মুখ সমরে কংগ্রেস। লোকসভা ভোটের পুনরাবৃত্তি পুরভোটেও। আসন নিয় চলছে দড়ি টানাটানি। দু’পক্ষের নেতারাই চূড়ান্ত সিন্ধান্তে পৌঁছতে পারছেন না। আর তাই এখনও পাকা হয়নি জোট।

তবে আলোচনার মাধ্যমেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে আশাবাদী দু’পক্ষই। লোকসভা ভোটের পরেও রাজ্যের তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বাম ও কংগ্রেস হাত মিলিয়ে লড়াই করেছিল। তবে জোট রাজনীতি ভোট-বাক্সে প্রভাব ফেলতে পারেনি। তিন কেন্দ্রেই জয়ী হয়েছে শাসক তৃণমূল। ভোটের নিরিখে বিজেপি টেক্কা দিয়েছে বাম-কংগ্রেসকে।

গত কয়েকদিন দফায় দফয়া চলছে আলোচনা। কোন পুরসভায় কোন দল কত আসনে লড়বে তা নিয়ে চলছে আলোচনা। কলকাতায় কংগ্রেসের সংগঠন তলানিতে। সেভাবে কোনও ওয়ার্ডেই কংগ্রেসের প্রাসঙ্গিকতা নেই। তবুও কলকাতার পুরভোটে ৪৫টি আসন দাবি করেছে কংগ্রেস। বামেরা অবশ্য কংগ্রেসকে এতগুলি আসন ছাড়তে নারাজ।

এক্ষেত্রে বামেদের যুক্তি, কলকাতায় কংগ্রেসের চেয়ে বামেদের সংগঠন অনেক বেশি মজবুত। কর্মীরাও অনেক বেশি সক্রিয়। আর তাই কংগ্রেসকে ৪৫টি আসন কোনও ভাবেই ছাড়া সম্ভব নয় বলে যুক্তি দেখিয়েছেন বাম নেতারা। কলকাতায় খুব বেশি হলে কংগ্রেসকে ৩০-৩৫টি আসন ছাড়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন বাম নেতারা।

বামেদের যুক্তি মানতে নারাজ কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, বামেদের সঙ্গে সম্মানজনক শর্তে জোট না হলে বা নিদেনপক্ষে ৪৫টি আসনও তাদের ছাড়া না হলে দলের নেতা-কর্মীদের মনোবল ধাক্কা খাবে। যার প্রতিফলন পড়বে ভোট ময়দানে। এমনকী এক্ষেত্রে বাম ও কংগ্রেসের ভোটও তৃণমূল বা বিজেপির দিকে চলে যেতে পারে বলে মনে করছেন বিধান ভবনের নেতারা।

সিপিএমের শর্ত, গত পুরভোটে যে যেখানে প্রথম বা দ্বিতীয় হয়েছে, সেই আসনগুলি তাদেরই ছাড়া হবে। বামেদের এই যুক্তি অবশ্য মানতে নারাজ কংগ্রেস। যার যেখানে ক্ষমতা বেশি কংগ্রেসের যুক্তি, বর্তমানে যার যেখানে ক্ষমতা বেশি, সে সেখানে লড়ুক। তাহলে জোটের জয়ের সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।