হাওড়া : বিধানসভা ভোটের আগে সর্বস্তরের সংগঠনকে চাঙ্গা করতে মরিয়া বাম শিবির। সেই লক্ষ্যেই আগামী রবিবার ব্রিগেডে সমাবেশের ডাক দিয়েছে বাম ও তার শরিক দলগুলি।

ব্রিগেড সমাবেশের সমর্থনে বুধবার হাওড়া জেলা বামফ্রন্টের উদ্যোগে হাওড়ার টিকিয়াপাড়া থেকে পিএম বস্তি পর্যন্ত একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়। লাল ঝান্ডা, লাল বেলুন নিয়ে মিছিলে অংশ নেন বহু বাম কর্মী-সমর্থক। এই পদযাত্রার নেতৃত্ব দেন বিশিষ্ট সিপিআইএম নেতা মহম্মদ সেলিম। তিনি বলেন,”বামেদের ব্রিগেডের উত্তাপে জ্বলে যাবে তৃণমূল। এমনকি বাষ্পের তাপে বিজেপিও উড়ে যাবে।” এদিনের পদযাত্রায় কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকরাও দলীয় পতাকা হাতে পা মেলান।

ব্রিগেড ময়দানের একপ্রান্তে দূর জেলা থেকে আসা হাজার হাজার সমর্থককে সাময়িক ভাবে রাখতে চলেছে বামেরা। একদা ময়দানের যে অংশে বইমেলা হতো, সেখানে ক্যাম্প করে এই সমর্থকদের রাখা হবে। অন্তত ৮-১০ হাজার বাম কর্মী-সমর্থক ব্রিগেডে রাত্রিবাস করবেন।

আগামী রবিবার বাম-কংগ্রেসের যৌথ ব্রিগেড সমাবেশ। ফুরফুরা শরিফের পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট সমাবেশে থাকবে। বাম-কংগ্রেস নেতৃত্ব ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছেন ‘ঐতিহাসিক সমাবেশ’ হতে চলেছে। উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের দূর জেলার সমর্থকদের কলকাতায় রাখতে প্রস্তুতি শুরু করেছে বামেরা। কংগ্রেসও উত্তরবঙ্গের কর্মী সমর্থকদের কলকাতায় রাখার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। শিয়ালদহ স্টেশনের কাছে একটি বড় হল বুক করেছে কংগ্রেস। ইডেন গার্ডেন্সের পাশেও একটি জায়গায় কর্মী-সমর্থকদের রাখার পরিকল্পনা করেছে তারা। এছাড়া বড়বাজার-সহ মধ্য কলকাতায় একাধিক গেস্ট হাউস ও ধর্মশালা বুক করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। ব্যবস্থা হয়েছে হাওড়াতেও।

উত্তরবঙ্গ থেকে ১০ হাজারের বেশি মানুষ আসবেন বলে আশা বামেদের জোটসঙ্গী কংগ্রেসের। শহরের একাধিক জায়গায় গেস্ট হাউস, হল, কমিউনিটি সেন্টার বুক করা হয়েছে। দূর জেলার সমর্থকদের থাকার, খাওয়ার সমস্ত আয়োজন চলছে। ব্রিগেডের জন্য কংগ্রেস পৃথক স্বেচ্ছাসবেক বাহিনীও তৈরি করেছে। ব্রিগেডের প্রস্তুতি দেখতে বুধবার ময়দানে গিয়েছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু।

ব্রিগেডের ক্যাম্পে মূলত উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের পুরুলিয়ার মতো দূরবর্তী জেলার কর্মী-সমর্থকদের রাখবে বামেরা। সিপিএমের কলকাতা জেলা সম্পাদক কল্লোল মজুমদারের কথায়, ‘ময়দানের যে অংশে বইমেলা হতো, সেখানে ক্যাম্প হবে। ৮-১০ হাজার মানুষ থাকতে পারবেন।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।