বেইরুট: দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকি নিয়ে বন্দরে মজুত করা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বিস্ফোরণের মাত্রা ছিল হিরোশিমায় পরমাণু হামলার ১০ ভাগের ১ ভাগ। গত মঙ্গলবার এই বিস্ফোরণের পর থেকে সরকারের গাফিলতিতে উত্তাল লেবানন। বিক্ষোভের ধাক্কায় অবশেষে সরকারের পতন হলো।

আল জাজিরা জানাচ্ছে, জাতির উদ্দেশে ভাষণে সরকারের পদত্যাগ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী হাসান দিয়াব। এরপর তিনি প্রেসিডেন্টের কাছে গিয়ে পদত্যাগ পত্র জমা দেন। বেইরুট বন্দরে মঙ্গলবারের ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে। আর সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর পর তাদের গৃহবন্দি করা ও জরুরি অবস্থা জারি পর বিক্ষোভের মুখে লেবাননের সরকার পড়ে গেল।

বিবিসি জানাচ্ছে, আগেই বিক্ষোভের মুখে বিচারমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী এবং পরিবে মন্ত্রী পদত্যাগ করেন। সরকারের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ এনে এই বিস্ফোরণের জন্য সরকারকে দায়ী করেন তারা।তখনই সরকার পতনের সম্ভাবনা বাড়তে থাকে। আর জনগণ প্রবল বিক্ষোভে পার্লামেন্ট ঘেরাও করে।

একাধিক মন্ত্রকে ঢুকে ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষে ৭০০ জনের বেশি জখম হন। পুলিশ গুলি চালালে পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে পড়ে। গত মঙ্গলবার বেইরুট বন্দর এলাকায় একটি রাসায়নিক পদার্থের গোডাউনে ২ হাজার ৭৫০ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বিস্ফোরণ হয়।

এই ঘটনায় ২০০ জনের মৃত্যু হয়। সাত হাজার জখম। বিস্ফোরণের তীব্রতা হিরোশিমায় পরমাণু হামলার ১০ ভাগের ১ ভাগ। এমনই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের তীব্রতা এমনই যে বেইরুট থেকে ২৪০ কিলোমিটার দূরের সাইপ্রাস দ্বীপরাষ্ট্রে কম্পন ও শব্দ শোনা গিয়েছিল।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা