প্যারিস:   জঙ্গি সংগঠনের হামলায় জীবন চলে যেতে পারে৷ সেই ভয়ে কুর্সি থেকে সরে গিয়েছেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরি৷ ছেড়েছেন দেশ৷ এবার ফ্রান্স পৌঁছে ঘরে ফেরার ইঙ্গিত দিলেন৷ সংবাদ সংস্থা এএফপি জানাচ্ছে এই খবর৷

দেশছাড়ার পর সৌদি আরবে চলে গিয়েছিলেন লেবানিজ প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরি৷ সেখানেই সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, জঙ্গি সংগঠন হিজবুল্লা ও তাকে সমর্থনকারী ইরান সরকার খুনের চক্রান্ত করেছে৷ মুহূর্তে আলোড়িত হয়েছিল আন্তর্জাতিক মহল৷

সৌদি আরবে টালমাটাল রাজনৈতিক পরিস্থিতি চলছে৷ রাজপরিবারে ভিতরেই চলেছে দুর্নীতি দমন অভিযান৷ একাধিক রাজপুত্রকে বন্দি করেছেন যুবরাজ৷ তিনিই ভবিষ্যৎ আরব রাজা৷ অভিযোগ ওঠে, দুর্নীতি দমন অভিযানের নামে আশ্রয় নেওয়া লেবাননের কুর্সিত্যাগী প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরিকে গৃহবন্দি করা হয়েছে৷ পরে সেই খবর অস্বীকার করেছে রিয়াধ৷

বিতর্কিত এই পরিস্থিতির মধ্যেই ফ্রান্সে পৌঁছলেন সাদ হারিরি৷ প্যারিস থেকে জানালেন আগামী বুধবার তিনি লেবানন ফিরবেন।  ২০০৫ সালে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে খুন করা হয়েছিল লেবাননের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রফিক হারিরিকে৷ এই হামলায় হিজবুল্লার মতো জঙ্গি সংগঠন জড়িত বলেই ধরে নেওয়া হয়৷ প্রয়াত রফিক হারিরি পদত্যাগী প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরির পিতা৷

হিজবুল্লা একটি শিয়াপন্থী সশস্ত্র সংগঠন৷ এই সংগঠনটি চরম আরব বিদ্বেষী ও ইরানকে সমর্থন করে৷ হিজবুল্লার মিলিটারি শাখার ক্ষেপণাস্ত্র বিভাগটি বিশেষ শক্তিশালী৷ লেবাননে তাদের প্রধান ঘাঁটি৷ ১৯৮০ সালে লেবাননের উপর ইজরায়েলের হামলার সময় হিজবুল্লা সংগঠনটি বিশেষ সক্রিয় হয়৷ তাদের সাহায্য করে ইরান৷

- Advertisement -