ব্রিসবেন: সিডনিতে তৃতীয় টেস্ট দারুণ উপভোগ করেছেন দর্শকরা৷ কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেটারদের প্রতি এসসিজি-র দর্শকদের বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্য ‘জেন্টেলম্যান গেম’কে কালিমালিপ্ত করেছে৷ ব্রিসবেনে যাতে এমনটা না-ঘটে তার জন্য ম্যাচের আগের দিন সমর্থকদের কাছে অনুরোধ জানান অজি ক্যাপ্টেন টিম পেইন৷

শুক্রবার থেকে গাব্বায় শুরু হচ্ছে ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের চতুর্থ তথা শেষ টেস্ট৷ বৃহস্পতিবার প্রাক ম্যাচ ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক পেইন বলেন, ‘বর্ণবিদ্বেষ ছেড়েই দিন, আমরা কখনওই কোনওভাবে মানুষকে অবজ্ঞা করা সমর্থন করি না। আমরা চাই মানুষ গাব্বায় আসুক এবং ক্রিকেট উপভোগ করুক৷ মাঠে এসে ভারত ও অস্ট্রেলিয়াকে সমর্থন করুক। খেলোয়াড়দের পাশাপাশি আম্পায়াদেরও সম্মান করুন৷ সমর্থকদের কাছে আমার অনুরোধ, যাবতীয় বিদ্বেষ মাঠের গেটের বাইরে ফেলে আসুন এবং মাঠে থাকা ক্রিকেটার ও খেলাকে সম্মান করুন।’

সিডনিতে সদ্যসমাপ্ত ভারত-অস্ট্রেলিয়া টেস্টে বর্ণবৈষম্যের শিকার হয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেটারকা৷ টিম ইন্ডিয়ার ডানহাতি পেসার মহম্মদ সিরাজকে ‘ব্রাউন ডগ’ কটাক্ষ করা হয়৷ যা নিয়ে উত্তাল হয় ক্রিকেটবিশ্ব৷ ভারতীয় ক্রিকেটারদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে সন্দেহজনক ছ’জন দর্শকদের মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হয়৷ সারা বিশ্বে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়৷

শনিবার টেস্টের তৃতীয় দিন ফাইন লেগ বাউন্ডারির ধারে সিরাজ ফিল্ডিং করার সময় এই ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় বল করছিলেন যশপ্রীত বুমরাহ। তিনি যখন বল হাতে ছুটে আসেন, তখন তাঁকে থামিয়ে দিয়েছিলেন ভারত অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে ও উইকেটকিপার ঋদ্ধিমান সাহা। ফাইন লেগ বাউন্ডারি থেকে হাত নাড়তে নাড়তে সিরাজকে এগিয়ে আসতে দেখেই বুমরাহকে থামান ক্যাপ্টেন রাহানে৷

ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে তখনই ফিল্ড আম্পায়ারের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছিল। সিরাজ আঙুল দিয়ে আম্পায়ারকে দেখিয়েছিলেন, গ্যালারির ঠিক কোন জায়গা থেকে মন্তব্যগুলি উড়ে এসেছে। অভিনব প্রতিবাদ জানিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটারেরা বাইশ গজের চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকেন৷ এর কারণে বেশ কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে৷ রাহানেদের সঙ্গে সেই প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন অজি অধিনায়কও। ব্রিসবেন টেস্ট মাঠে নামার আগে ভারতীয়দের পাশে দাঁড়িয়ে দর্শকদের বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্য থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন ক্যাপ্টেন পেইন৷

রবিবার ম্যাচের চতুর্থ দিনেও এই ঘটনার পুনরবৃত্তি ঘটে৷ সমালোচনায় সামিল হয়েছিল ক্রিকেটদুনিয়া৷ এই ঘটনার পর সচিন টুইটারে লিখেছিলেন, ‘SPORT is meant to UNITE us, not DIVIDE us. Cricket never discriminates. The bat & ball recognizes talent of the person holding them – not race, colour, religion or nationality. Those who don’t understand this have NO PLACE in a sporting arena.’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।