ইসলামাবাদ : টানা কডাউন চালানোর মত আর্থিক পরিস্থিতি নেই পাকিস্তানের। স্বীকার করে নিল ইমরান খান সরকার। করোনা ভাইরাসের জন্য চলা লকডাউনের দেশের যে বিশাল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে, তার বোঝা টানার মতো ক্ষমতা নেই ইসলামাবাদের বলে শুক্রবার জানিয়ে দিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

তিনি বলেন, ১৫০ মিলিয়ন পাকিস্তানবাসী এর জেরে ধুঁকছে। শুক্রবারই পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশের প্রশাসকদের স্থানীয় ভাবে পরিবহণ পরিষেবা চালু করার নির্দেশ দিয়েছে ইসলামাবাদ। এদিন মিডিয়ার সামনে ইমরান বলেন আমেরিকা, চিন ও ইউরোপের দেশগুলির মত টানা লকডাউন চালানোর ক্ষমতা পাকিস্তানের নেই। দেশের আর্থিক বৃদ্ধির ওপরে বিশাল প্রভাব ফেলছে লকডাউন।

দেশের ২৫ মিলিয়ন মানুষ দিন আনা দিন খাওয়া। তাদের মুখে অন্ন কেড়ে নিচ্ছে লকডাউন। ইমরান এদিন বলেন পরিবহণ পরিষেবা চালু করা হোক বিভিন্ন প্রদেশে। এতে পাকিস্তানের আর্থিক সমস্যার কিছুটা সুরাহা হবে। তবে তিনি স্বীকার করেছেন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা রোজ বাড়ছে। শুক্রবার পর্যন্ত ৩৮,২৯২ জন মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এদিকে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। এখনও পর্যন্ত ৮২১ জন মারা গিয়েছেন বলে খবর। তবে ভাঙলেও মচকাতে রাজি নন ইমরান খান।

তিনি জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অন্যান্য দেশের থেকে ভালো অবস্থায় রয়েছে পাকিস্তান। এখনও পর্যন্ত ১০,১৫৫ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। দেশে অন্যান্য আর্থিক পরিষেবা ব্যহত হচ্ছে বলে জানিয়ে পাক প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন শিশুরা সবথেকে বেশি বঞ্চিত হচ্ছে চিকিৎসা থেকে। ইতিমধ্যেই দুটি অ্যান্টি-পোলিও ক্যাম্পেন বাতিল করতে হয়েছে। রাস্তায় পরিবহণ পরিষেবা ছাড়াও বিমান পরিষেবা চালু করতে চলেছে পাক সরকার। অন্তর্দেশীয় বিমানগুলি চালু হবে বলে জানানো হয়েছে।

অসামরিক বিহান পরিবহণ মন্ত্রকের মন্ত্রী গুলাম সারওয়ার খান জানান, ১৬ই মে অর্থাৎ শনিবার থেকেই চালু হতে চলেছে বিমান পরিষেবা। সেক্ষেত্রে প্রতিটি বিমানে ৫০ শতাংশ যাত্রী রাখতে হবেষ মেনে চলতে হবে সামাজিক দূরত্বের নিয়ম। প্রতিদিন ৬৮ টি উড়ান হবে বলে জানানো হয়েছে।

corona virus -2

করাচির জিন্না আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এই বিমানগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। লাহোরের আল্লামা ইকবাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৩২টি, ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৩২টি ও কোয়েট্টা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪টি বিমান চলাচল করবে বলে জানানো হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।