নিউ ইয়র্ক: মুদিখানার দোকানে গেলেই চোখে পড়ে সার সার চিপসের প্যাকেট। যার মধ্যে বেশিরভাগই Lay’s. নতুন নতুন ফ্লেভার বাজারে এলেও চেহারা সেই একই। Lay’s-এর প্যাকেট হাতে অনেকেই ফিরে যেতে পারেন কৈশোরে। আমেরিকান স্টাইল কিংবা স্প্যানিশ, স্বাদে মোটামুটি পছন্দের চিপসের তালিকায় উপরের দিকেই এই চিপসের জায়গা। ১২ বছর এবার বদলে যাচ্ছে সেই চিপসের চেহারা।

লোগোটা সবারই চেনা। চিপসের প্যাকেটে সেই Lay’s লোগোর নীচে থাকে চিপসের টুকরোর ছবি। সঙ্গে ফ্লেভার বোঝায় এমন একটা ছবি। হয়ত পেঁয়াজ কিংবা টমেটোর টুকরোর ছবি। ফ্লেভার অনুযায়ী প্যাকেটের রঙও আলাদা- হলুদ, লাল, নীল কিংবা সবুজ। সবকটাই বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের আপডেটেড করতে চাইছে এই সংস্থা। তাই এবার তারা নিয়ে আসছে নতুন চেহারার প্যাকেট। একেবারে ভোলবদল জনপ্রিয় এই সংস্থার।

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে আরও বেশি ইনস্টা-ওয়ার্দি করতে তুলতে হবে নিজেদের। তাই এই প্রচেষ্টা। এবার Lay’s-এ লোগো হবে আরও একটু ছো। একেবারে মাঝামাঝি অংশে থাকবে সেটি। আর চিপসের ছবিগুলি হয়ে একেবারে অন্যরকম। ঠিক যে ধরনের খাবারের সব তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে থাকেন, সেরকম ছবিই থাকবে প্যাকেটের গায়ে। চিপসের ছবিগুলি দেখলে মনে হবে উপর থেকে তোলা। সোজা কথা বেশ আধুনিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছে সংস্থা। প্যাকেটের পিছন দিকটাও বদলে ফেলা হয়েছে। লেখাগুলি ছোট করে ছবির জন্য জায়গা করে দেওয়া হয়েছে।

গত দু’বছর ধরে প্যাকেট বদলানোর চেষ্টা চলছে। অবশেষে নতুন চেহারা সামনে এনেছে এই সংস্থা। সংস্থার অন্যতম ডিরেক্টর জন গুয়েরা জানিয়েছেন, প্যাকেটগুলিকে আরও বেশি রঙিন করার চেষ্টা হয়েছে, যাতে আরও বেশি মনোরম হয় এই প্রোডাক্ট। ২৫টি ফ্লেভারের প্যাকেটে আসবে এই পরিবর্তন।আপাতত আমেরিকা ও কানাডায় নতুন প্যাকেট গুলি বাজারে আনা হবে। পরে এগুলি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাঠানো হবে।

১৯৩২ সালে সংস্থাটি আত্মপ্রকাশ করে। বর্তমানে এই সংস্থা পেপসিকো-র অধীনে।

জনপ্রিয় চিপসের নতুন প্যাকেট