ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: মঙ্গলবার রিজার্ভ ব্যাংক লক্ষ্মী বিলাস ব্যাংকের উপর এক মাসের জন্য মোরাটোরিয়াম জারি করল। যা আজ (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যে ছটা থেকে কার্যকর হচ্ছে এবং তা ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত তা লাঘু থাকবে। এই ৩০ দিন নগদ তোলার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ রাখা হচ্ছে ফলে ২৫ হাজারের বেশি টাকা কেউ তুলতে পারবে না।

শুধুমাত্র চিকিতসাজনিত কারণ অথবা একেবারে জরুরী কোনও অবস্থায় ২৫,০০০ টাকার বেশি তোলার অনুমতি দেওয়া হবে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক তার একটি সার্কুলারে জানিয়েছে,লক্ষ্মী ‌বিলাস ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা ক্রমশ খারাপ হয়েছে। গত তিন বছরে বেড়ে গিয়েছে ক্ষতির বোঝা এবং সম্পদ মুছে যাচ্ছিল।

কোন কৌশলগত পরিকল্পনা না থাকায় অনুৎপাদক সম্পদের পরিমান ক্রমশ বেড়েছে এবং আরও ক্ষতি বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছিল। এই ব্যাংকটি পর্যাপ্ত মূলধন তুলে পুঞ্জিভূত ক্ষতি আটকাতে সক্ষম হচ্ছিল না। পাশাপাশি দেখা যাচ্ছিল, ব্যাংক থেকে ক্রমাগত আমানতকারীরা তাদের টাকা তুলে নিচ্ছিল ফলে নগদের পরিমাণ তলানিতে এসে ঠেকেছিল।

এই ব্যাংক চালানোর ক্ষেত্রে একটা সিরিয়াস ইস্যু হয়ে দাঁড়ায়। ব্যাংকের ম্যানেজমেন্ট রিজার্ভ ব্যাংকে জানিয়েছিল বিভিন্ন বিনিয়োগকারীর সঙ্গে তাদের কথাবার্তা চলছে কিন্তু ঠিকমতো প্রস্তাব আসতে দেখা যায়নি।

রিজার্ভ ব্যাংকের পক্ষ থেকে আমানতকারীদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে তাদের স্বার্থ রক্ষার দিকটা সবসময় মাথায় রাখা হবে।ফলে এ নিয়ে অযথা আতঙ্কিত না হতে বলা হয়েছে।

ফাইল ছবি

রিজার্ভ ব্যাংকের লক্ষ্য হল অন্য ব্যাংকের সঙ্গে এই ব্যাংকের সংযুক্তি ঘটানো। সেজন্য কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন নিয়ে এই মোরাটোরিয়াম শেষ হবার আগেই রিজার্ভ ব্যাংক তাদের এই স্কিম পেশ করতে চায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।