কলকাতা : জল্পনাই সত্যি হল৷ বাংলা ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন প্রাক্তন অধিনায়ক লক্ষ্মীরতন শুক্লা৷ বুধবার মোহনবাগান মাঠে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই অবসরের কথা ঘোষণা করেছেন বাংলার সিনিয়র ব্যাটসম্যানটি৷ তবে বাংলা থেকে অবসর নিলেও এখনও ক্লাব ক্রিকেটে খেলবেন একথা জানিয়েছেন লক্ষ্মী৷বছরের শেষে বাংলা লক্ষ্মী-হারা হল৷ ক্রিকেটে মহলে হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে৷

অবসর নেওয়ার আগে লক্ষ্ণী কথা বলেছেন  সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে৷ সিএবিকে মেল করে অবসরের কথা জানিয়েও  দিয়েছেন বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক ৷ লক্ষ্মীর অবসর প্রসঙ্গে বাংলার নির্বাচক দেবাং গান্ধী বলেন, ‘ সকালে আমাকে অবসরের কথা জানিয়েছে৷ ওকে বলছি সিদ্ধান্ত পুর্নবিবেচনা করার জন্য৷ আমি মনে করি ওর মধ্যে এখনও অনেক ক্রিকেট রয়েছে৷ এখনও বাংলার হয়ে খেলতে পারে৷ তাই ওকে সিদ্ধান্ত পাল্টানোর জন্য অনুরোধ করেছি৷’

বাংলার হয়ে প্রায় ১৬০টি-র কাছাকাছি ম্যাচ খেলেছেন লক্ষ্মী৷রঞ্জি ট্রফি  না জিতলেও বিজয় হাজারে থেকে শুরু প্রায় দেশের সব ট্রফি জিতেছেন এই বাংলার ক্রিকেটারটি৷ দলে সুযোগ পাওয়ার পরেও বা ফিট থাকা স্বত্ত্বেও সম্মানের সঙ্গে অবসর ঘোষণা করলেন প্রাক্তন বাংলা অধিনায়ক ৷ রঞ্জি না জেতার অক্ষেপ রয়েছে  লক্ষ্ণীর গলায়৷ ২০০৪ ও ২০০৫ সালে ফাইনালে উঠেও বাংলা রঞ্জি জিততে পারেনি৷খুব কাছে গিয়েও সেই হার এখনও দুঃখ  দেয় লক্ষ্ণীকে৷ দেশের সেরা অলরাউন্ডারের খেতাব পাওয়ার পরেও জাতীয় দলে ডাক পাননি৷ সেই হতাশাও রয়েছে প্রাক্তন বাংলা ক্রিকেটারের মনে৷  কেন ছাড়ছেন ক্রিকেট ? এই প্রশ্নে কোনও স্পষ্ট উত্তর দিতে চাননি লক্ষ্ণী৷ সরাসরি তিনি এড়িয়ে গিয়েছেন৷ তবে অনুমান করা যাচ্ছে দলের অধিনায়কত্ব  হারানো বা দলের মধ্যে কারও সঙ্গে মনোমানিল্য হওয়ার জন্যই তিনি তড়িঘড়ি অবসর ঘোষণা করেছেন৷ যদিও মুখে কিছু বলেননি তিনি৷ বাংলা বাদে অন্য কোনও রাজ্যের হয়ে খেলবেন কি না সেটা অবশ্য সরাসরি কিছু বলতে চাননি লক্ষ্ণী৷