কলকাতা: ৪০তম জন্মদিনে মহৎ প্রয়াসী হলেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। কোভিড আক্রান্ত পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করলেন বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক। সম্প্রতি কোভিডের প্রকোপে স্থগিত হয়ে যাওয়া ইন্ডিয়ান প্রিমিয়র লিগে সম্প্রচারকারী চ্যানেলের হয়ে বাংলা ধারাভাষ্যকারের পদে ছিলেন লক্ষ্মী। আর ধারাভাষ্য থেকে উপার্জিত অর্থের পুরোটাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের করোনা রিলিফ ফান্ডে দান করলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার নিজের জন্মদিনেই সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের মাধ্যমে সেকথা অনুরাগীদের জানান লক্ষ্মী। তিনি লেখেন, ‘আজ ৬মে, ২০২১। আমি আমার জন্মদিনে আইপিএল ২০২১-এ ধারাভাষ্য থেকে প্রাপ্ত সমস্ত অর্থ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর রিলিফ ফান্ডে দান করলাম। আমার তরফ থেকে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত আমার প্রিয় মানুষদের লড়াইয়ের জন্য সামান্য এই সাহায্য।’

উল্লেখ্য, ২০১৫ সবধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও ক্রিকেট থেকে দূরে থাকতে পারেননি জাতীয় দলের এই প্রাক্তন ক্রিকেটার। শুধু ক্রিকেটই নয়, বাংলার খেলাধুলোর উন্নতির স্বার্থে ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর মমতা বন্দোপাধ্যায় লক্ষ্মীকে রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর পদে আসীন করেছিলেন। যদিও চলতি বছর জানুয়ারিতে নির্বাচনের দিন ঘোষণার আগেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে নেন হাওড়া উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে প্রাক্তন বিধায়ক। যদিও ক্রিকেটের উন্নতির জন্য লড়াই জারি রেখেছেন লক্ষ্মী।

সম্প্রতি আইপিএলে ধারাভাষ্যের জন্য তাঁকে বেছে নিয়েছিল সম্প্রচারকারী চ্যানেল। আইপিএল থেকে উপার্জিত অর্থ মহৎ উদ্যোগে দান করায় লক্ষ্মীকে কুর্নিশ জানাচ্ছেন নেটিজেনরা। উল্লেখ্য, ১৮ বছরের ক্রিকেট কেরিয়ারে বাংলার হয়ে ১৩৭টি প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ, ১৪১টি লিস্ট-এ ম্যাচ খেলেছেন লক্ষ্মী। এছাড়া আইপিএল-সহ কেরিয়ারে ৮১টি টি-২০ ম্যাচে অংশ নিয়েছেন লক্ষ্মী। কলকাতা নাইট রাইডার্স ছাড়াও ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে দিল্লি ডেয়ারডেভিলস এবং সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জার্সি গায়ে চাপিয়েছেন তিনি।

সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে লক্ষ্মী জানিয়েছেন, ‘আমি আজ যা কিছু হয়েছি সাধারণ মানুষ এবং তাদের ভালোবাসায়। তাই জন্মদিনের পুণ্যলগ্নে আমার এই সামান্য দান যদি বিপর্যস্ত মানুষগুলোকে এতোটুকু সাহায্য করতে পারে, তবে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করব।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.