কলকাতাঃ  অসুস্থ অরূপ রায়কে দেখতে হাসপাতালে গেলেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। গতকাল সোমবার দুপুরে রাজ্যের সমবায়মন্ত্রীকে দেখতে যান রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেপথে লক্ষ্মীই! শুধুই কি সৌজন্যমূলক এই সাক্ষাৎ? নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে তা নিয়ে জল্পনা রয়েই গিয়েছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে অসুস্থ অরূপ রায়কে আচমকাই হাসপাতালে পৌঁছন লক্ষ্মী। বেশ কিছুক্ষণ হাসপাতালে সময় কাটান তিনি। বেরিয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে লক্ষ্মী বলেন, এর মধ্যে অন্য কিছু নেই। অরূপ বাবুকে দেখতে এসেছিলাম। উনি ভালো আছেন। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করব সবাই যাতে ভালো থাকে।

প্রসঙ্গত, রবিবার ভোরে আচমকাই শ্বাসকষ্ট এবং বুকে ব্যাথা অনুভব করেন। হঠাত এই অবস্থায় কোনও রিস্ক নিতে চাননি মন্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা। এরপরই তাঁকে তড়িঘড়ি ভরতি করা হয় উডল্যান্ডস হাসপাতালে। প্রাথমিক পরীক্ষার পরই তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা।

তবে, অরূপ রায়ের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, শনিবার থেকেই অসুস্থতা বোধ করছিলেন তিনি। যদিও হাসপাতালে ভরতি করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। কিন্তু, রবিবার ভোরে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। বুকে ক্রমশ ব্যাথা বাড়তে থাকে। আর সেই কারণে কয়েকদিন হাসপাতালে বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন ডাক্তাররা।

পরিবার সূত্রে খবর, চিকিৎসকরা মন্ত্রীকে বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁকে বর্তমানে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তাঁর বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষানীরিক্ষা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। আপাতত ভালো আছেন বলেই খবর।

অন্যদিকে, রাজনৈতিক জল্পনা উস্কে অরূপ রায়কে দেখতে হাসপাতালে যান রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দুপুরে অরূপবাবুকে দেখতে যান। গত কয়েকদিন আগেই মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। এই সাক্ষাৎ কি শুধুই সৌজন্যমূলক নাকি এর পিছনে গভীর কোনও কারণ রয়েছে? তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

যদিও হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এর মধ্যে রাজনীতি খুঁজবেন না। উনি আমার নেত। ওনাকে সম্মান জানাই। তবে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরুন উনি। এটাই আমরা চাই। তবে তাঁর উপর কোনও চাপ রয়েছে কিনা সে বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, প্রত্যেক রাজনীতিবিদদের উপর বিভিন্ন চাপ থাকে। ওনার উপরেও ছিল হয়তো! তবে দ্রুত অরূপবাবুর সুস্থতার কামনা করেছেন তৃণমূলের এই বিধায়ক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।