হলদিয়া: লক্ষ্মণ শেঠ। একদা মেদিনীপুর তথা হলদিয়ার সিপিএমের বাদশা হিসাবে জনপ্রিয় ছিলেন। বিধায়ক ও সাংসদ পদ সামলিয়ে তিনি দাপুটে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিলেন।

কিন্তু নন্দীগ্রামে জমি আন্দোলনের ঘটনার পর থেকে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটতে থাকে। দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়। তারপর তিনি একটি নতুন রাজনৈতিকদল গড়ে তোলেন। যার নাম ভারত নির্মাণ পার্টি। সেই পার্টির অস্তিত্ব বেশিদিন ধরে রাখতে পারেনি। পরে তিনি বিজেপিতে যোগদান করেন।

সেখানেও তাঁর স্থায়িত্ব হয়নি। বিজেপি পার্টির কোন নিয়ম কানুন না থাকায় তিনি দল ছাড়েন বলে সংবাদমাধ্যমের সামনে জানিয়েছিলেন। তার পর শাসকদল তৃণমূলের সংসারে ঢোকার অনেক চেস্টা করেছিলেন। কিন্তু মমতা সেই সংসারের দরজা বন্ধ করে দেয় দিঘার সভায় ঘোষনা করে। তৃণমূলের সাংসারে প্রবেশ করতে না পারায় তিনি জাতীয় কংগ্রেসে যোগদানের চেস্টা করেন। সেখানেও তিনি ব্যার্থ হন। সামনেই লোকসভা নির্বাচন।

প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ লক্ষ্মণ শেঠে বর্তমান পরিস্থিতি কি তা জানতে তার সাথে কথা বলে যা পাওয়া গেলো-

* ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে লক্ষ্মণ শেঠের ভূমিকা কি থাকবে?

লক্ষ্মণ শেঠ: ‘বর্তমান সময়ে রাজনীতিতে আমি শরৎ এর আকাশ’

* প্রার্থী হচ্ছেন?

লক্ষ্মণ শেঠ:সময়ই বলবে।

* কোন দলের প্রার্থী হতে চান?

লক্ষ্মণ শেঠ: যে দলটি উদার হবে, মানব প্রেমী হবে, সেই দলের সুযোগ পেলেই তাদের হয়ে প্রার্থী হব।

* মনের মত দল না পেলে কি রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন?

লক্ষ্মণ শেঠ: রাজনীতি আমার রক্তে, আমার বাবা রাজনীতি বিদ ছিলেন,কৃষক আন্দোলনের নেতা ছিলেন, তিনি জেলও খেটেছেন। তাইতো তার রক্ত আমার মধ্যেও আছে। রাজনীতি থেকে আমি পালাবো না কখনোই।

* রাজনৈতিক ইতিহাস থেকে কি লক্ষ্মণ শেঠের নাম মুছতে চলেছে?

লক্ষ্মণ শেঠ: আমাদের দেশে ভারতবর্ষের রাজনৈতিক ইতিহাস লেখা হলে সেখান থেকে লক্ষ্মণ শেঠের নাম কখনো মুছে যাবে না। ভারতবর্ষের রাজনৈতিক ইতিহাস থেকে আমি বাদ পড়ে যাবো এটা হয় না।

* অবসর সময় কি করতে ভালোবাসেন?

লক্ষ্মণ শেঠ: বই পড়া ও লেখালেখি করতে।

* কোন রাজনৈতিক দলের যোগদান করতে না পারায় কর্মী সমর্থকেরা কি হতাশ?

লক্ষ্মণ শেঠ: আমার কর্মী সমর্থকেরা বা অনুগামীরা আমার মত সংগ্রামী, ফাইটার। তাই হতাশ হওয়ার কোন প্রশ্নই নেই।

* কংগ্রেসে যোগদান করতে গিয়ে রাস্তা থেকেই ঘুরে আসতে হয়েছে, কি ভাবছেন?

লক্ষ্মণ শেঠ: ভাবাভাবির কিছু নেই। দলের নেতৃত্বের সাথে কথা হয়েছিল। সেইমত গিয়েছিলাম। দলের কিছু আভ্যন্তরীণ সমস্যার করণে তা স্থগিত করে দেওয়া হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।