স্টাফ রিপোর্টা, হলদিয়া: ‘ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার প্রথম আলাপ হয় হলদিয়ায়। জ্যোতি বসুর সঙ্গে উনি হলদিয়ার হিন্দুস্তান লিভার কারখানা উদ্বোধনে এসেছিলেন। তখন আমি এমএলএ ছিলাম। পরে সাংসদ হওয়ার পর দিল্লিতে প্রণববাবুর সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠতা হয়। পার্লামেন্ট চলাকালীন দুপুরের বিরতির সময় তাঁর চেম্বারে যেতাম।’

বৃহস্পতিবার বিকেলে হলদিয়া ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে সত্যেন্দ্রনাথ বোস অডিটরিয়ামে প্রয়াত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির প্রতি শোক জ্ঞাপনসভায় স্মৃতিচারণ করে একথা বলেন প্রাক্তন সাংসদ ও আইকেয়ার স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষা সংস্থার চেয়ারম্যান ড. লক্ষ্মণ শেঠ।

তিনি বলেন, ” দিল্লিতে ওনার বাসভবন ছিল ১৩নম্বর তালকাটোরা রোড। পার্লামেন্টের অফিসের নম্বর ছিল ১৩। হয়তো প্রণবদার ১৩নম্বরটি বেশি পছন্দ ছিল। তিনি ১৩ নম্বরটি ‘আনলাকি’ ভাবতেন না। পার্লামেন্টের চেম্বারে আমি যখন যেতাম, দেখতাম গোলমরিচ মাখানো ব্রেড টোস্ট খেতেন আর সঙ্গে থাকত স্যুপ। চেম্বারে ঢুকলে বলতেন, লক্ষ্মণ তুমি একটু খাও। রাজনৈতিক দূরত্ব থাকলেও তাঁর আচার, ব্যবহার ও কথাবার্তায় কখনও তা ফুটে উঠত না।”

একবার কথা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, লক্ষ্মণ তোমরা হলদিয়া বন্দরকে কেন কলকাতা থেকে আলাদা করছ না? প্রণবদা বলেন, আমি যখন জাহাজমন্ত্রী ছিলাম, তখন ভেবেছিলাম, দুটোকে আলাদা না করলে সমস্যা হবে। লক্ষ্মণবাবু বলেন, প্রণববাবু ছিলেন একজন বড়মাপের স্টেটসম্যান। তিনি বাগ্মী, প্রচুর পড়াশোনাও করতেন। তীক্ষ্ণবুদ্ধিসম্পন্ন প্রণববাবু ছিলেন রাজনীতির চাণক্য। ছোটখাটো চেহারার মানুষ হলেও তাঁর বুদ্ধি, জ্ঞান, রাজনৈতিক সৌজন্যে তিনি ছিলেন পাহাড়ের মতো। তাঁকে ঘিরে আমার নানা স্মৃতিগুলি ভোলার নয়। এদিন শোকজ্ঞাপন সভায় উপস্থিত ছিলেন আইকেয়ারের সেক্রেটারি শিক্ষাবিদ আশিস লাহিড়ী, আইকেয়ারের গভর্নিংবডির সদস্য সুদীপ্তন শেঠ, স্পর্শিতা পণ্ডাশেঠ ও আইকেয়ার সংস্থার অধীনস্ত কলেজগুলির প্রিন্সিপ্যাল ও অধ্যাপকগণ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।