হলদিয়া (পূর্ব মেদিনীপুর): শিল্পশহর হলদিয়া গড়ে উঠেছিল তাঁর হাত ধরেই। আর সেই হলদিয়ায় শিল্পের বিকাশ ঘটাতে হলদিয়া থেকেই প্রচার শুরু করলেন প্রাক্তন বাম সাংসদ লক্ষ্মণ শেঠ। নন্দীগ্রাম ঘটনার পর থেকে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। সেই অন্ধকার দূর করার জন্য এক রাজনৈতিক দল থেকে আর এক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। কখনও নিজে দল করেছেন কখনও আবার বাম ছেড়ে রাম হয়েছেন। কিন্তু কোনও কিছুতেই তাঁর স্থায়িত্ব হয়নি।

শেষমেশ অনেক বাধাবিপত্তি কাটিয়ে সম্প্রতি কংগ্রেসে যোগদান করেন প্রাক্তন বাম সাংসদ লক্ষ্মণ শেঠ। যোগদান করার পর দল তাঁকে তমলুক লোকসভার প্রার্থী হিসাবে ঘোষনা করে। যদিও লক্ষ্মণ শেঠকে প্রার্থী করা নিয়ে দলের অন্দরেই চাপা কোন্দল তৈরি হয়।

সেই কোন্দলকে সরিয়ে কংগ্রেসের দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শনিবার হলদিয়ার ক্ষুদিরামনগরে মিছিল করেন। সেই মিছিলে নেতা কর্মী সমর্থকদের পাশাপাশি পায়ে পা মেলান লক্ষ্মণবাবু। এদিন প্রায় তিন কিমি পথ অতিক্রম করে মিছিল। পরে দলিয় নেতা কর্মীদের নিয়ে একটি নির্বাচনী বৈঠক করেন তিনি। সেই বৈঠকে নির্বাচনী রনকৌশল কি হবে তা নিয়ে আলোকপাত হয়।

উল্লেখ্য, একটা সময়ে হলদিয়াতে লক্ষ্মণ শেঠের আধিপত্য থাকলেও আজ তা অতীত। অধিকারী সাম্রাজ্যের বাড়বাড়ন্তে ক্রমশ কোনঠাসা হয়েছে বামেরা। কিন্তু এবার কংগ্রেসের হাত ধরেই অধিকারী সাম্রাজ্যে ফের ফিরতে চান একদা এই এলাকার বেতাজ বাদসা।

এদিন লক্ষ্মণবাবু বলেন, রাজনীতি আমার রক্তে তাই রাজনীতির লড়াইয়ে রয়েছি। হলদিয়া শিল্পের বিকাশ ঘটাতে আবার একবার মানুষের আর্শীবাদ প্রার্থনা করব। দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে হলদিয়া শহ তমলুক লোকসভার উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সদা সতর্ক থাকব।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা