স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: অত্যাধুনিক মানের আদালত ভবন তৈরির প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও শিলান্যাস হয়ে যাওয়ার পরেও কাজ শুরু না হওয়ার অভিযোগ তুলে প্রতীকী কর্ম বিরতিতে অংশ নিলেন বাঁকুড়া জেলা আদালতের আইনজীবীরা।

বুধবার সকাল থেকে এই আদালতের কোন আইনজীবীই কোন ধরণের সওয়াল জবাবে অংশ নিলেন না। আইনজীবীদের এই কর্ম বিরতির ফলে আদালতের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হয়। অনেক বিচার প্রার্থী এসেও কাজ না হওয়ায় বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হন।

২০১৮ সালের ২১ জুলাই বাঁকুড়ায় এসে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য নয় তলা বিশিষ্ট আধুনিক মানের আদালত ভবনের শিলা ন্যাস করেন। সেই অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি ঘোষণা করেছিলেন, তিনি শুধু শিলান্যাস করতে আসেননি। সঙ্গে করে টাকাও নিয়ে এসেছেন।

কর্মবিরতিতে অংশ নেওয়া আইনজীবীদের অভিযোগ, ওই কাজে হাইকোর্টের তরফে দেওয়া প্রয়োজনীয় টাকা বাঁকুড়া জেলা আদালতে জমা পড়ে আছে৷ কিন্তু ওই নতুন ভবন তৈরির কাজ এতটুকুও এগোয়নি।

এক দিনের প্রতীকী কর্মবিরতিতে অংশ নিয়ে তপন দে বলেন, নতুন ও অত্যাধুনিক আদালত ভবন তৈরির জন্য ৬৭ কোটি টাকা এসে পড়ে আছে। এই কাজের দায়িত্ব পূর্ত দফতরকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা কোন কাজ করছেন না।

আইনজীবী অরূপ বন্দোপাধ্যায় জানান, বাঁকুড়া জেলা আদালতে আসা বিচার প্রার্থীদের জন্য কোন ধরণের শৌচাগার নেই৷ আইনজীবীদের বসার পর্যাপ্ত জায়গা নেই। সেকারণেই আমরা চাইছি কনজিউমার ফোরামের জায়গা চিহ্নিত করে সেখানে কাজ শুরু হোক। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত অত্যাধুনিক মানের আদালত ভবনের কাজ দ্রুত শুরু করার দাবিতে একদিনের এই প্রতীকী কর্মবিরতি বলে জানান তিনি। দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে সমস্ত আইনজীবী লাগাতার কর্মবিরতি করবেন বলেও তারা ঘোষণা করেন।