স্টাফ রিপোর্টার , হাওড়া : জলই ওদের জীবন,জলই ওদের ভাত জোগায়,তাই লকডাউনের এই কঠিন পরিস্থিতিতে জলেই দিন কাটছে প্রসেনজিৎ,সইদুলদের মতো গাদিয়াড়া লঞ্চ ঘাটে কর্মরত হুগলী নদী জলপথ পরিবহন নিগমের জনা দ’শেক অস্থায়ী কর্মীর। সূত্রের খবর,গত ২৩ মার্চ শেষ লঞ্চ চলেছিল গাদিয়াড়া-নুরপুর ও গেঁওখালি রুটে।

 

নির্বিঘ্নেই গাদিয়াড়া লঞ্চ ঘাটে ফিরে আসে হুগলী নদী জলপথ পরিবহন নিগমের দুটি লঞ্চ।কিন্তু,লকডাউনে আর বাড়ি ফেরা হয়নি মেদিনীপুর,বনগাঁ,ডায়মন্ডহারবার সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কাজ করতে আসা জনা দ’শেক অস্থায়ী কর্মীর। লঞ্চের ডেকেই ফোন ঘেঁটে,আড্ডার আসরে,গল্পগুজব করে কোনোরকমে অবসর দিনযাপন করছেন শুভেন্দু,মসিদরা। শেখ সইদুলের কথায়, ‘সামনেই পরব।বাড়ির সাথে নিয়মিত ফোনে কথা হলেও টাকা পাঠাতে পারছিনা।লঞ্চ জলে থাকলে তার প্রতি বেশ কিছু দায়িত্ব থাকে। তাই লঞ্চ ছেড়ে দিয়ে যেতে পারিনি।তাই কোনোরকমে লঞ্চের মধ্যেই দিন কাটাচ্ছি।’

 

জানা গেছে,লঞ্চে আটকে থাকা কর্মীদের জন্য কোম্পানির তরফে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গাদিয়াড়া লঞ্চঘাটের ম্যানেজার উত্তম রায় চৌধুরী জানান,”গাদিয়াড়া লঞ্চ ঘাটে এখন দুটি লঞ্চ আছে।জলে লঞ্চ থাকলে তার জন্য বেশ কিছু দায়িত্ব থাকে।তাই ওঁরা কর্তব্যে অবিচল থেকে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।”তিনি আরও বলেন,”ঘূর্ণিঝড় আসার সম্ভাবনা রয়েছে।তারজন্য সমস্ত রকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। লাইফ জ্যাকেট সহ বিভিন্ন ব্যবস্থা রয়েছে।ঝড়ের সময়ে লঞ্চকে এক জায়গায় না রেখে ভাসমান রাখতে হবে।ওরা সেই কাজটাই করবে , ‘লকডাউন কবে উঠে শুরু হবে যাত্রী চলাচল,কবেই বা তাঁরা নিজের বাড়িতে ফিরবেন—এখন সেই আশাতেই দিন গুনছেন হুঁশিয়ার ‘কান্ডারী’রা।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।