লিমা: মৃতদেহ নিয়ে নানা দেশে নানা বিধান রয়েছে। সেইসব কিছুই সভ্যতার আবিষ্কারের সময় থেকে চলে আসছে। ধীরে ধীরে সভ্যতার বিলুপ্তির পরেও সেই দেহগুলি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে বিজ্ঞানীরা। নানা দেহ থেকে নানা তথ্য বেরিয়েছে। এমনকী কীভাবে শেষকৃত্য করা হয়েছিল তাও জানা গেছে। তবে প্রাক-ইনকা সভ্যতার এই বিশেষ রীতি একটু অবাক করার মতোই। কারণে এখানে কেউ মারা গেলে তাকে ঘরেই রাখার রীতি ছিল প্রচলিত। এভাবেই হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তিকে সম্মান জানায় তার পরিবার। পেরুতে এই রীতি ছিল প্রচলিত।

নাজাকা শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে এক ফাঁকা জায়গায় পাওয়া গিয়েছে এই কবরস্থান। এক মরুভূমির বুকে পাওয়া কবরস্থানটি ১০০০ বছরের পুরোনো। এখানেই ১৩ টি প্রাক-ইনকা সমাধি আবিষ্কৃত হয়েছে। এক আয়তক্ষেত্রাকার সমাধি করে তখন কবর দেওয়া হতো মৃতদেহকে। ছোট ছোট প্রাচীর দিয়ে ঘিরে রাখা হতো সেই দেহটিকে। দেখে মনে হবে ছোট ছোট কক্ষ। তবে উপরে কোনো ছাদ থাকতো না। এই প্রথাকেই বলে চৌচিল্লা।

কোনো কোনো কবরে আবার একের বেশি দেহও থাকতো। নাজকা সংস্কৃতিতে কেউ মারা গেলে তার সারা দেহ কাপড় দিয়ে ঢেকে তাতে নকশা এঁকে দেওয়া হতো। এরপর রোদে পোড়ানো ইঁট দিয়ে তৈরী করা হতো সমাধি। বাইরে থেকে দেখে আপনি বুঝবেন না যে এটি সমাধি। কারণ একেবারে ছোট ঘরের মতোই লাগতো। আর এই দেহলগুলিকে পোশাক পরানো এক একটা পুতুল মনে হবে। এদের পোশাকে যে রজন দেওয়া হতো তা মৃতদেহগুলোকে ব্যাকটেরিয়া এবং পোকামাকড় থেকে বাঁচিয়ে রাখতো। ফলে দেহে পচন ধরতো না।

আরো পোস্ট- ভয়ঙ্কর অথচ সুন্দর হ্রদ! একটা পদক্ষেপেই মৃত্যু

যে মমিগুলি পাওয়া গিয়েছে তা প্রাকৃতিকভাবেই তৈরি হয়েছে। কিছু কিছু মমির চুল চামড়া অক্ষত রয়েছে। এমনকি যে কাপড় দিয়ে মোড়ানো হতো দেহ তাও ভালো অবস্থায় রয়েছে। তবে ফাঁকা এই মরুভূমিতে ডাকাতরাও ঘুরে বেড়ায় এই কাপড়গুলি সংগ্রহ করার জন্যে। মাঝে মাঝেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় হাড়ের টুকরো বা সেই সময় ব্যবহার করা মাটির পাত্র।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।