স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কাজ সম্পূর্ণ৷ উদ্বোধনের অপেক্ষায় মুখ্যমন্ত্রী’র স্বপ্নের প্রকল্প দক্ষিনেশ্বর স্কাইওয়াক৷ কালীপুজো’র আগের দিন ৫ই নভেম্বর নবনির্মিত স্কাইওয়াকের সূচনা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তার আগে মঙ্গলবার নবগঠিত এই স্কাইওয়াক ঘুরে দেকেন পুর ও নগোরন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম৷

দক্ষিণেশ্বরে’র যানজট ও পূণ্যার্থীদে’র সুবিধায় স্টেশন থেকে সরাসরি ভবতারিনী’র মন্দিরে পৌঁছতে স্কাইওয়াক তৈরি’র ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী৷ জানান এটি তাঁর অন্যতম স্বপ্নের প্রকল্প৷ ৩৪০ মিটার লম্বা এবং ৩.৫ মিটার চওড়া নবগঠিত স্কাইওয়াকে রয়েছে ১৪টি এস্কেলেটর৷ ১২টি দরজা৷ বয়স্কদের জন্য বন্দোবস্ত থাকছে ৪টি লিফটের৷

২০১৫ থেকে শুরু হয় স্কাইওয়াকে’র কাজ৷ প্রকল্প এলাকায় বহু দোকান থাকায় তাদের পুনর্বাসন ঘিরে তৈরি হয় জটিলতা৷ পরে রাজ্য সরকার ঘোষণা করে স্কাইওয়াকে তাদের পুনর্বাসন দেওয়া হবে৷ কথা মতো হয়েছে কাজ৷ স্টেশন থেকে এসে প্রয়োজনীয় সামগ্রী সেই সব দোকান থেকেই কিনতে পারবেন দর্শণার্থীরা৷ এক কথায় দক্ষিনেশ্বর স্কাইওয়াক কলকাতার মুকুটে নতুন পালক৷

এদিন স্কাইওয়াক ঘুরে দেখে নগোরন্নয়নমন্ত্রী বলেন, ‘‘অনেক বাঁধা কাটিয়ে তৈরি হয়েছে স্কাইওয়াক৷ এটা পূর্ত দফতরের অন্যতম কৃতিত্ব৷ এখন আর দক্ষিণেশ্বরে ভক্তদের অসুবিধা হবে না৷’’ দক্ষিণেশ্বরের পর শক্তিপীঠ কালীঘাটেও তৈরি হবে স্কাইওয়াক৷ পরে অন্যন্য জায়গায়ও তা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী৷

এই স্কাইওয়াক নির্মাণে খরচ হয়েছে ৬৫ কোটি টাকা৷ কেএমডিএ’র তত্ত্বাবধানে নতুন এই নির্মাণ উৎসবের মরসুমে রাজ্যবাসীকে সরকারের উপহার বলে মনে করা হচ্ছে৷