শ্রীনগর: এবার সাফল্য জম্মু কাশ্মীর পুলিশের। কাশ্মীরের বান্দিপোরা জেলা থেকে গ্রেফতার করা হল লস্কর ই তইবার এক অতি সক্রিয় জঙ্গিকে। বান্দিপোরার হাজিন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ফাঁদ পেতে ওই জঙ্গিকে ধরা হয়।

এজন্য যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। এই বাহিনীতে ছিল এসওজি বান্দিপোরা, এসওজি হান্দওয়াড়া, ১৩ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, ৩২ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, ৯২ সিআরপিএফ। এদের যৌথ উদ্যোগে ওই জঙ্গিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে বলে খবর। ওই জঙ্গির পরিচয়ও প্রকাশ করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর ওই জঙ্গির নাম আকিব আহমেদ। সে উপত্যকায় বিভিন্ন জঙ্গি মডিউলের কাছে অস্ত্র পৌঁছে দেওয়ার কাজ করত। তার কাছ থেকেও প্রচুর অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। তার বিরুদ্ধো ক্রালগান্দ পুলিশ স্টেশনে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।

এরই মধ্যে দিন কয়েক আগেই জম্মু কাশ্মীর পুলিশের ডিজিপি দিলবাদ সিং জানিয়ে ছিলেন, জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পর থেকে এই এক বছর সন্ত্রাসের বাড়বাড়ন্ত অনেক কমেছে উপত্যকায়। ক্রমাগত ভারতীয় সেনার সন্ত্রাসদমন অভিযান, একের পর এক জঙ্গি নেতাকে নিকেশের জন্যই এই সাফল্য এসেছে। এরই সঙ্গে রয়েছে কড়া পুলিশ প্রশাসন। পুলিশের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে বছরের শুরুতে যেখানে ৩৫০-৪০০ জঙ্গি সক্রিয় ছিল উপত্যকায়, সেই সংখ্যা কমে ২০০তে দাঁড়িয়েছে।

ডিজিপির বক্তব্য ২০১৯ সালে জুলাই পর্যন্ত খতম করা হয়েছিল ১৩১ জন জঙ্গিকে। কিন্তু জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে নিকেশ করা হয় মাত্র ২৯জনকে। সেই মুহুর্তে জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা দিকে নজর দেওয়ার দরকার ছিল। তবে ২০১৯ সালে ৬৭টি অপারেশন চালিয়ে ১৬০ জন জঙ্গিকে মারা সম্ভব হয়েছিল।

পুলিশের হিসেব বলছে ২০১৯ সালে পাঁচ হাজারেরও বেশি বার এলাকা কর্ডন করে তল্লাশি চালানো হয়েছে। ২০২০ সালে এখনও পর্যন্ত ১৫০জন জঙ্গিকে নিকেশ করা গিয়েছে। ১৫০ জন জঙ্গির মধ্যে ৩০ জন বহিরাগত ও ১২০ জন স্থানীয় বাসিন্দা। এর মধ্যে রয়েছে ৩৯জন টপ কমান্ডার।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও