নয়াদিল্লি : তিন বিজেপি কর্মীকে গুলি করে খুনের পিছনে পাকিস্তান মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লস্কর এ তইবার হাত রয়েছে। এমনই তথ্য দিল জম্মু কাশ্মীর পুলিশ। কাশ্মীর পুলিশের আইজি বিজয় কুমার জানিয়েছেন, দ্যা রেসিট্যান্স ফ্রন্ট নামে লস্করের একটি শাখা সংগঠন এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

২০১৯ সালের অগাষ্ট মাসে ৩৭০ ধারা কাশ্মীর থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক বিজেপি কর্মীকে খুন হতে হয়েছে। বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ২৯শে অক্টোবর অজ্ঞাতপরিচয় জঙ্গিরা তিন বিজেপি কর্মীকে গুলি করে খুন করে বলে অভিযোগ। জম্মু কাশ্মীরের কুলগাম জেলার কাজিগান্দ এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

জম্মু কাশ্মীর পুলিশ জানায় বৃহস্পতিবার রাত ৮.২০ নাগাদ খবর আসে ওয়াইকে পোরা গ্রামে জঙ্গি হামলা হয়েছে। সেখানে বিজেপি কর্মীদের ওপর গুলি চালিয়েছে জঙ্গিরা। ওই তিন বিজেপি কর্মীর নাম ফিদা হুসেন ইয়াট্টু, উমর রশিদ বেগ, উমর রামজান হাজম। এর মধ্যে ফিদা হুসেন বিজেপির জেলা যুব শাখার সাধারণ সম্পাদক। বাকি দুজন সক্রিয় বিজেপি কর্মী ছিলেন।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। শ্রীনগরের বিজেপি মুখপাত্র গোটা ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। সূত্রের খবর, আহত বিজেপি কর্মীদের যে গাড়ি করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, জঙ্গিরা সেই গাড়ির ওপরেও গুলি চালায়।

শুক্রবার দ্যা রেসিস্ট্যান্স ফ্রন্ট গোটা ঘটনার দায় স্বীকার করেছে বলে শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে। এদিকে, বিজেপি কর্মীদের খুন করার ঘটনার কড়া নিন্দা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি ট্যুইটারে কড়া ভাষায় গোটা ঘটনার সমালোচনা করেন। বিজেপির যে তিন জন কর্মীকে গুলি করে খুন করা হয়, তার মধ্যে একজন যুব বিজেপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মৃত কর্মীদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে মোদী বলেন তাঁদের পাশে রয়েছেন তিনি। মৃতদের আত্মা শান্তি পাক।

জম্মু কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্ণর মনোজ সিনহা গোটা ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেন। মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। এদিন মনোজ সিনহা বলেন এই ঘটনা কাপুরুষতার পরিচয়। উপত্যকায় হিংসা ছড়ানোর উদ্দ্যেশেই এই কাজ। অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।