মুম্বই: দুপুর ১ টার পর থেকেই ল্যান্ডফল শুরু করতে চলেছে ঘূর্ণিঝড় নিসর্গ। একদম অন্তিম মুহূর্ত উপস্থিত। মাত্র কয়েক কিমি দূরে আছে সাইক্লোন। IMD প্রধান মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানিয়েছেন, দুপুর একটা থেকেই ল্যান্ডফল শুরু হবে ।

আলিবাগের দক্ষিণ দিক দিয়ে এটি যাবে বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। আজ বিকাল থেকে সন্ধ্যার মধ্যেই তা আছড়ে পড়বে মহারাষ্ট্র উপকূলে। গতি হবে সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটার। এটি লেভেল ২এর ঘূর্ণিঝড় বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।

আশঙ্কার কথা মাথায় রেখে প্রকাশ্যে মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করেছে মুম্বই। মুম্বই উপকূলের তীরবর্তী সমুদ্র সৈকত, পার্ক এরকম খোলা জায়গায় বেরোনোর ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। গুজরাত, দমন-দিউ, দাদরা নগর হাভেলি এই সমস্ত জায়গায় ঝড়ের কারণে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

মুম্বই থেকে ১১০ কিমি দূরে আলিবাগের কাছে এই ঝড় আছড়ে পড়বে। এরফলে সমুদ্রে জলের ঢেউ এর উচ্চতাও ৬ ফুট বৃদ্ধি পাবে।

মঙ্গলবার থেকেই ঝড়ে ক্ষতির আশঙ্কায় উপকূলবর্তী এলাকা থেকে সরানো হচ্ছে মানুষজনকে। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের তরফে বলা হয়েছে, “মুম্বই শহরে বাস করা বস্তিবাসীদের, বিশেষ করে নিচু এলাকার বাসিন্দাদের অন্যত্র সরানো হয়েছে”।

তবে ইতিমধ্যেই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র, চিকিৎসাধীন বহু কোভীড রোগী। তাই সাইক্লোনের সময় অন্যান্য জায়গায় লোডশেডিং হলেও হাসপাতালগুলি যাতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন না হয় সেদিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে। আরব সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় নিসর্গের দিকে নজর দিয়ে মুম্বই সিটি, মুম্বই শহরতলি জেলা, থানে, পালঘর, রায়গড়, রত্নগিরি এবং সিন্ধু দুর্গে জারি করা হয়েছে সতর্কতা, তেমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে।

উল্লেখ্য মাত্র এক সপ্তাহ আগেই বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট আমফান আছড়ে পড়ে পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূলে, ফলে প্রায় ১০০ লোকের মৃত্যু হয় এবং ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যা লক্ষাধিক। এর ধাক্কা কাটতে না কাটতেই ফের হাজির ঘূর্ণিঝড় নিসর্গ।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প