স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি: জলাধার থেকে জল ছাড়ার ফলে লকগেটে ভেঙে ভেসে গেল চারটি গ্রামের চাষের জমি৷ ফলে ভরা গ্রীষ্মে মাথায় হাত চাষিদের৷ শুক্রবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে সিউড়ির মহম্মদবাজারের শঙ্করপুরে৷

লকগেট ভেঙে যাওয়ার ফলে শঙ্করপুর, মালাডাঙ সহ চারটি গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে৷ চাষের জমির পাশাপাশি কার্যত জলের তলায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঢোকার প্রধান সড়কও৷ ইতিমধ্যে অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে লকগেট সংস্কারের কাজ শুরু করেছে সেচ দফতর৷

প্রশাসন সূত্রের খবর: শুক্রবার সকালে আচমকায় তিলপাড়া জলাধার থেকে জল ছাড়া হয়৷ জলের তোড়ে শঙ্করপুরে ময়ুরাক্ষী ও দ্বারকার প্রধান ক্যানেলের লকগেট ভেঙে যায়৷ ফলে চারটি গ্রামের প্রচুর চাষের জমি জলের তলায় চলে গিয়েছে৷ মহম্মদ বাজারেরে এসডিও (সেচ) মহম্মদ ইসাহি বক্স বলেন, ‘‘সংশ্লিষ্ট লকগেটি অত্যন্ত পুরনো৷ ফলে জলের তোড়ে সেটি প্রায় ৯মিটার মতো ভেঙে গিয়েছে৷ আমরা মেরামতির কাজ শুরু করেছি৷’’

স্থানীয় চাষি তারাপদ মাল বলেন, ‘‘ঋণ নিয়ে চাষ করেছিলাম৷ ফসল ঘরে তোলার মুখে লকগেট ভেঙে চাষের জমি জলের তলায় চলে গেল৷ ঝণ মেটাবো কোথা থেকে, খাব কি – এসব ভেবে কুল খুঁজে পাচ্ছি না৷’’ গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বহু পুরনো লকগেট জীর্ণ হয়ে গিয়েছিল৷ সেজন্য সেচ দফতরে বারংবার সংস্কারের দাবিও জানানো হয়েছিব৷

সেসময় যদি সেচ দফতর সংস্কারের উদ্যোগ নিত, তাহলে আমাদের এভাবে ক্ষতির সন্মুখীন হতে হত না৷ সেচ দফতর অবশ্য জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।