শ্রীনগর: ভোরের আলো ফুটতেই গুলি চালাতে শুরু করেছিল পাকিস্তান সেনা। বিনা প্ররোচনায় শুরু হয়েছিল গুলির লড়াই। পালটা জবাব দেয় ভারতীয় সেনাও। পাক হামলায় শনিবার শহিদ হলেন ভারতীয় ল্যান্স নায়েক সন্দীপ থাপা। জম্মু কাশ্মীরের রাজৌরি জেলার নৌসেরা সেক্টরে পাক জওয়ানদের গুলিতে শহিদ হন তিনি।

দেরাদুনের বাসিন্দা থাপা ১৫ বছর আগে ভারতীয় সেনায় যোগ দিয়েছিলেন। ৩৫ বছর বয়েসী এই ল্যান্স নায়েক পাক হামলায় শনিবার গুরুতর আহত হন। দ্রুত চিকিৎসা শুরু হলেও, শেষ রক্ষা করা যায়নি।

ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর বিনা প্ররোচণাতেই গুলি চালিয়েছে পাকিস্তান। ছোট অস্ত্র ও মর্টার হামলা চলে শনিবার সকাল সাড়ে ছটা থেকে। প্রত্যুত্তর দেয় ভারতীয় সেনাও। তবে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি। গুলির লড়াই আপাতত বন্ধ হয়েছে বলে খবর।

শুক্রবারও উত্তপ্ত ছিল কাশ্মীর। শুক্রবার সকালে এক পাকিস্তানি জওয়ানকে খতম করে ভারতীয় সেনা৷ মোট চার জন পাক জওয়ানকে নিকেশ করা গিয়েছে বলে সেনা সূত্রে খবর৷ পাক সেনার মৃত্যুর খবর স্বীকার করে নেয় পাক প্রশাসন৷

গত কয়েকদিন ধরে কাশ্মীর ইস্যুতে উত্তপ্ত ভারত এবং পাকিস্তান সীমান্ত। যে কোনও প্ররোচনা রুখে দিতে সেনাবাহিনীকে হাই-অ্যালার্টে রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, একেবারে খোলা হাতে পাকিস্তানকে জবাব দেওয়ার জন্যে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। সেই মতো পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে যোগ্য জবাব দিতে থাকে ভারত।

শুক্রবারই কাশ্মীরে আর্মি, এয়ার ফোর্স ও সব নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্ক করা হয়েছে। এদিকে, সোমবার থেকেই স্বাভাবিক হতে চলেছে কাশ্মীরের জনজীবন। তুলে নেওয়া হবে কার্ফু। তবে কাশ্মীর অশান্ত করতে জঙ্গি পাঠাতে পারে পাকিস্তান। সীমান্ত পার করে জঙ্গি অনুপ্রবেশের আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। তৈরি রয়েছে ভারতীয় সেনা।