সুখের সময়ে

পাটনা: টুইট বন্ধ। কেউই কিছু লেখেননি। সকাল যদি সব ঠিক করে দেয় তাহলে দিন বলে দিচ্ছে এনডিএ ও মহাজোট দু পক্ষ তাল ঠুকতে শুরু করেছে। আরও বিশেষ, বিহারি রেজাল্টে বঙ্গ বামেদের কড়ি গোনা শুরু। বিহারে মহাজোটের এগিয়ে যাওয়া, তাকে তাড়া করা এবং শরিকদের উত্থান পতনের প্রাথমিক হিসেবে কড়ায় গণ্ডায় লড়াই।

সূত্রের খবর, পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির মামলায় ঝাড়খণ্ডে বন্দি মহাজোটের মুখিয়া লালুপ্রসাদ যাদব আনচান করছেন। তিনিই মহাজোটের কারিগর। তাঁর সূত্রে ঝাড়খণ্ডে জয় পায় মহাজোট। এবার নিজের রাজ্য বিহারের ফল তাঁর কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া।

প্রাথমিক ফলাফলের ইঙ্গিতে তিনি বিরাট লড়াই করছেন। দুই প্রধান পক্ষের লড়াই ধুন্ধুমার। এরমাঝে বঙ্গ বামেদের হিসেব নিয়ে চলছে শোরগোল। মহাজোটের তিন বাম শরিকের এগিয়ে যাওয়া নির্বাচিত শক্তি বলেই মনে করা হচ্ছে। কংগ্রেস প্রবল শক্তি দেখাচ্ছে। প্রধান শরিক আরজেডি অগ্রগতি লক্ষনীয়।

এনডিএ জোটের ভরসা বিজেপি তা স্পষ্ট। তবে অপর শরিক জেজিইউ রীতিমতো লড়াই করছে তাও দেখা গেল। তবে উত্তেজিত নীতীশ কুমার। প্রাথমিক হিসেব যে কোনও সময় পরিবর্তন হবে। এমনই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ২৪৩টি আসনের ভোট গণনা চলছে। কেউ এগিয়ে কেউ পিছিয়ে। দিন শেষে কী ঘটবে তার অপেক্ষায় দেশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.