পাটনা: বর্তমানে রাঁচির রাজেন্দ্র ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে ভর্তি আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদ যাদব। সেখানে তাঁর দেখাশোনায় কর্মরত রয়েছেন এমন তিনজন করোনা পজিটিভ হওয়ায় ফের করোনা পরীক্ষা হবে লালু প্রসাদ যাদবের।

আধিকারিকরা জানিয়েছেন, কিছুদিনের মধ্যেই ফের করোনা পরীক্ষার প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যাবেন লালু প্রসাদ যাদব। কারণ হাসপাতালে তাঁর পরিচর্যারত তিনজন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

জানা গিয়েছে, গত শনিবার প্রথমবারের জন্য লালু প্রসাদ যাদব এবং পরিচর্যারত তিনজনের স্যাম্পেল নেওয়া হয়েছিল। সেখানেই লালু প্রসাদ যাদবের রিপোর্ট নেগেটিভ আসে এবং বাকি পরিচর্যারতদের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আরজেডি সুপ্রিমোকে আরও একবার পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে যেহেতু বাকিরা পজিটিভ হয়েছেন। ইতিমধ্যেই গ্রাঊন্ড ফ্লোর এবং ক্যানটিন বন্ধ করা হয়েছে কারন ক্যানটিন স্টাফও করোনা আক্রান্ত। আমরা লালু যাদবের স্বাস্থ্যের প্রতিমুহূর্তের খোঁজ রাখছি। প্রয়োজন মতন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে”।

ইতিমধ্যেই আরজেডি সমর্থকরা সংক্রমণ কিভাবে ছড়াল সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এমনকি কি পদ্ধতিতে প্রতিদিন স্যানিটাইজেশন চলছে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ভক্তরা।

লালুকে করোনা থেকে বাঁচাতে রিমস-এ ভিভিআইপি ব্যবস্থা করানো হয়েছে। অন্যদিকে, হাসপাতালে বেড না থাকার অজুহাত দিয়ে করোনা সংক্রমিত রোগীদের অন্য হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, লালু প্রসাদ যাদব রাঁচির জেলে বন্দি থাকলেও, শুরু থেকেই চিকিৎসার অজুহাত দিয়ে রিমস হাসপাতালে আছেন। সাজা ঘোষণার পরেই ওনার মধ্যে অনেক রোগ পাওয়া যায়, আর সেই কারণে উনি হাসপাতালে চিকিৎসারত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।