নয়াদিল্লি: মোদীর রামমন্দির উদ্বোধনের ঠিক আগে বার্তা দিলেন বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদবানি। তিনি বললেন অবশেষে প্রতীক্ষা সার্থক হল।

এই রামমন্দির তৈরির ব্যাপারে যারা সবচেয়ে বেশি উদ্যোগী হয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন লালকৃষ্ণ আদবানি। তিনি জানিয়েছেন, “অনেক সময় জীবনের কিছু স্বপ্ন পূরণে অনেক সময় লেগে যায়, কিন্তু যখন তা সফল হয়, তখন মনে হয় সেই প্রতীক্ষা সার্থক। ” শুধু নিজের না, পাশাপাশি সমস্ত ভারতীয়দের জন্যই এই রামমন্দির উদ্বোধনের সময়কালকে তিনি ‘ঐতিহাসিক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য এই প্রবীণ বিজেপি নেতার হাত ধরেই রামমন্দির আন্দোলনে বিরাট জোয়ার এনেছিল ভারতীয় জনতা পার্টি। একসময় (১৯৯০ সালে) রামমন্দির তৈরির দাবিতে গুজরাতের সোমনাথ থেকে রথযাত্রাও শুরু করেছিলেন তিনি। বলা চলে সেই রথযাত্রার পর থেকে বিজেপি তার রামমন্দির তৈরির দাবি আরও জোরদার করে। সেই হিসেবে নিজের স্বপ্নকে সার্থক হওয়ার আগে বার্তা দিলেন লালকৃষ্ণ আদবাণী।

আপাতত জানা যাচ্ছে, করোনার কথা মাথায় রেখে বর্ষীয়ান নেতা লালকৃষ্ণ আদবানি হয়তো ভূমিপূজাস্থলে এসে স্বচক্ষে এই ঐতিহাসিক দৃশ্যের সাক্ষী থাকবেন না। কিন্তু ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই অনুষ্ঠান দেখবেন তিনি।

উল্লেখ্য, আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাদেই ভূমিপূজা হবে রামলাল্লার জন্মস্থানে। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ইতিমধ্যেই আচার-অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গিয়েছে অযোধ্যায়। তিন দিন আগে থেকে বৈদিক আচারমেনে চলছে পুজো পাঠ। ভূমি পুজোর অনুষ্ঠান ঘিরে চূড়ান্ত তৎপরতা শুরু হয়েছে।

কোনওভাবেই যাতে এই মেগা ইভেন্টকে কেন্দ্র করে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেব্যাপারে সচেষ্ট শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। বুধবারের অনুষ্ঠান-মঞ্চে মোদী-সহ মাত্র পাঁচ জনকে রাখা হচ্ছে। এরা হলেন নরেন্দ্র মোদী, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত, উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও ট্রাস্টের প্রধান মোহন্ত নিত্য গোপালদাস। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও সহ অন্য মন্ত্রী-নেতারা সতর্ক রয়েছেন। ভিড়-সমাগম এড়িয়ে চলা ছাড়াও একাধিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করছেন তাঁরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।