কলকাতা:  দিল্লি থেকে রাজধানী এক্সপ্রেসে ফিরে লালগোলা প্যাসেঞ্জার ধরেন নদিয়ার তেহট্টের করোনার আক্রান্ত ওই পাঁচজন। ইতিমধ্যে সেই দিন তাঁরা ছাড়াও রাজধানীতে তাঁদের পাশে কারা ছিল সেই বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু লালগোলা প্যাসেঞ্জারে জেনারেলে উঠেছিলেন ওই পাঁচজন। ফলে তাঁদের সংস্পর্শে কারা এসেছিলেন তা খুঁজে বার করাটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ স্বাস্থ্য আধিকারিকদের কাছে।

কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে হন্যে হয়ে খোঁজা হচ্ছে। করা হচ্ছে মাইকিং। সোশ্যাল মিডিয়াতে করা হচ্ছে প্রচারও। আর এই পরিস্থিতিতে নজির গড়লেন নদিয়ার এক মহিলা। তেহট্টের করোনাভাইরাস আক্রান্তদের সঙ্গে লালগোলা প্যাসেঞ্জারে একই কামরায় ছিলাম। এমনই দাবি নিয়ে মহকুমা প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেন এক মহিলা। যদিও এখনও পর্যন্ত ওই কামরায় আর কারা কারা ছিলেন তা এখনও জানা যায়নি। বাকি যাত্রীদের জন্যে চলছে খোঁজ।

বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে যে গত ১৯ মার্চ সন্তানদের সঙ্গে নিয়েই নিউ রাজধানী এক্সপ্রেসে ওঠেন তাঁরা। এর ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ২০ মার্চ সাড়ে দশটা নাগাদ শিয়ালদহ পৌঁছন। সেখান থেকে লালগোলা প্যাসেঞ্জারে সোজা চলে যান তেহট্টে।

এখানেই শেষ নয়, বাড়ি পৌঁছনোর জন্যে তাঁরা একটা অটো ভাড়া করেন। সেই সময় তাঁরা ছাড়াও অটোতে আরও কেউ ছিল কিনা সেটাই এখন বড় প্রশ্নের। কিন্তু যেভাবে রাজধানী, লালগোলা এবং পড়ে অটোতে উঠলেন তাতে প্রচুর মানুষের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন রাজ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকরা।

জানা যাচ্ছে, ওই পরিবার লালগোলা জেনারেল কামরায় ওঠে ওই পরিবার। অনেকেই এমন কামরায় ওঠেন। কার কার মধ্যে করোনার ভাইরাস সংক্রমণ হয়েছে এটাই বড় প্রশ্নের। আর সেজন্যেই বারবার ঘোষণা করা হচ্ছে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে। এই অবস্থায় এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, আজ রবিবার মহকুমা প্রশাসনের সঙ্গে দেখা করেন ওই মহিলা।

জানান, ওই ট্রেনে করোনা আক্রান্তদের সঙ্গে যাত্রা করেছিলেন তিনি। জানা যাচ্ছে, আপাতত ওই মহিলাকে হোম আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, সেদিন কারা কারা লালগোলায় ছিলেন সেই বিষয়ে তথ্য থাকলে জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, তেহট্টের পরিবারটির দেহে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ার পরেই রাজধানী এক্সপ্রেসের সংরক্ষণ তালিকা দেখে তাদের সহযাত্রীদের চিহ্নিত করেছে রেল।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও