কলকাতা: ১১ ফেব্রুয়ারি নবান্ন অভিযানের সময় আহত হন বাম যুবনেতা (DYFI)মইদুল ইসলাম৷ তাকে একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছিল৷ পরে তিনি মারা যান৷ এবার তার মৃত্যুতে তদন্তকারী দল (Sit)গঠন করল লালবাজার(lalbazar)৷

লালবাজার সূত্রে খবর,৭ জনের তদন্তকারী দল (Sit)গঠন করা হয়েছে৷ ঘটনার সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ খতিয়ে দেখার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে৷ এখনও পর্যন্ত সিসিটিভি-র ফুটেজে লাঠি দিয়ে মারার প্রমাণ মেলেনি৷ মেডিক্যাল রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে বিশেষজ্ঞদের কাছে৷ জখম মইদুলের চিকিৎসা নিয়ে চিকিৎসক ফুয়াদ হালিমের কাছে তথ্য চেয়েছে নিউ মার্কেট থানা৷

বামেদের অভিযোগ,‘পুলিশের লাঠির আঘাতের জেরেই বাম যুব নেতা মইদুল ইসলাম মিদ্যার মৃত্যু হয়েছে৷’মইদুলের মৃত্যুর প্রতিবাদে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখায় DYFI-SFI৷ সরস্বতী পুজোর দিন রাস্তায় অবস্থান বিক্ষোভের পর থানা ঘেরাও করে তারা৷

মঙ্গলবারের পর বুধবারও জেলায় জেলায় চলে বিক্ষোভ৷ কোথাও কোথাও থানা ঘেরাও এর চেস্টা৷ আগামীকাল বৃহস্পতিবার রেল অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে এসএফআইয়ের তরফে। পাশাপাশি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছে বাম নেতৃত্ব।

১১ ফেব্রুয়ারি সকলের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্যের অধিকার, চাকরির প্রতিশ্রুতি-সহ একাধিক দাবিতে নবান্ন অভিযান চালায় বাম ছাত্র-যুব নেতৃত্ব। পুলিশ তাতে বাধা দিতে গেলে ধর্মতলা চত্বরে দু’পক্ষ জড়ায় হাতাহাতিতে। পুলিশের লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস, জলকামানে কার্যত রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এলাকা।

লাঠিচার্জের জেরে আহত হন বেশ কয়েকজন। তারই মধ্যে বাঁকুড়ার ডিওয়াইএফআই কর্মী মইদুল ইসলাম মিদ্দার মৃত্যু হয় সোমবার সকালে, কলকাতার নার্সিংহোমে। বাম দলগুলির দাবি, পুলিশের লাঠি লেগে কিডনি ক্ষতিগ্রস্থ কিডনি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়াতেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন ডিওয়াইএফআই নেতা মইদুল ইসলাম।

অন্যদিকে, কর্তব্যরত অবস্থায় তালতলা থানার ASI-কে বেধড়ক মারধরের অভিযোগে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ কর্তব্যরত ASI-কে মারধরের পাশাপাশি ছিঁড়ে দেওয়া হয় উর্দি।

মৌলালির কাছে সোমবার দুপুরে ডিওয়াইএফআইয়ের কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন বাম ছাত্র-যুবরা। সেই সময়ে তালতলা থানার এক পুলিশকর্মীকে নিগ্রহ করা হয়৷ সরকারি কর্মীকে কাজে বাধাদান ও বলপ্রয়োগের মতো ধারায় মামলা করেছে পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.