ফাইল ছবি

সুভাষ বৈদ্য, কলকাতা: এনআরএস কান্ডে ঘটনার আগেই ডাক্তারদের হুমকি দিয়েছিল হামলাকারীরা৷ জানানো সত্ত্বেও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ৷ আন্দোলনে নামে জুনিয়র ডাক্তাররা৷ যা দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল৷ অবশেষে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কাটল জট৷ বৈঠকে পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷ এরপরই নড়েচড়ে বসেছে লালবাজার৷ হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে মঙ্গলবার পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে লালবাজারে একটি উচ্চ পর্যায়ে বৈঠক৷

সূত্রের খবর, কলকাতা পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা ছাড়াও বৈঠকে রয়েছেন পুলিশের শীর্ষকর্তা ও ডেপুটি পুলিশ কমিশনাররা৷ মূলত এই দিনের বৈঠকে শহর ও শহরতলির হাসপাতালগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা চলছে৷ গতকাল নবান্নে ডাক্তারদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে জুনিয়র ডাক্তাররা ১২ দফা আর্জি জানিয়েছেন৷ তারমধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ডাক্তারদের নিরাপত্তার বিষয়টি৷

প্রস্তাবগুলো হল, হাসপাতালে গোলমালের খবর দিতে ডায়াল ১০০ এর মতো হেল্পলাইন চালু করা৷ হাসপাতালের ঢোকার সময় পুলিশের চেকিং৷ নিরাপত্তার নজরদারিতে পুলিশের নোডাল অফিসার নিয়োগ৷ প্রতিটি হাসপাতালে বিপদ অ্যালার্ম৷ ইমার্জেন্সিতে রোগীর দু’জনের বেশি পরিজন নয়৷ প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে ইমার্জেন্সিতে কোলাপসিবল গেট তৈরি করা৷ হাসপাতালে রাজনৈতিক নেতারা গোলমাল পাকালে ছাড়া নয়৷

এছাড়া সরকারি হাসপাতালে গ্রিভান্স সেল তৈরি করা হোক৷ এমন জায়গায় তা যেন তৈরি করা হয় যাতে মানুষের নজরে পড়ে৷ অভিযোগ থাকলে সেখানে মানুষ জানাবেন৷ সমাধান করার চেষ্টা করা হবে৷ জুনিয়র ডাক্তারের দাবির ভিত্তিতে গ্রিভান্স সেল তৈরির নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে সমন্বয়ের জন্য বেশ কয়েকজন এক্সপার্ট থাকবেন৷ তারাই রুগীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলবেন৷ যোগাযোগ রাখবেন৷ বহিরাগতদের আটকাতে বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে৷

নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় জুনিয়র ডাক্তাররা ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, মুখ্য ও স্বরাষ্ট্র সচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার প্রমুখ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।