নয়াদিল্লি: নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর পর এবার দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যু নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল। প্রশ্নটা তুলে দিলেন তাঁরই পরিবারের সদস্যরা। শাস্ত্রীর পরিবারের দাবি, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু সংক্রান্ত সমস্ত ফাইল প্রকাশ্যে আনা হোক।

শাস্ত্রীর পুত্র ও কংগ্রেস নেতা অনিল শাস্ত্রী সিএনএনকে বলেন, “বাবার মৃতদেহে সাদা ও নীল রঙের কয়েকটি চিহ্ন ছিল। যা দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল কোথাও একটা অস্বাভাবিকত্ব রয়েছে। স্পষ্ট করে বলতে পারব না, কিন্তু কারও কোথাও একটা কর্তব্যে গাফিলতি ছিল। সবচেয়ে অবাক লাগে, কেউ দোষী প্রমাণিত হননি, কেউ শাস্তিও পাননি।”

অতীতের স্মৃতি ঘাঁটে গিয়ে অনিল শাস্ত্রী বলেন, একজন খানসামাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, যাকে পরে ছেড়েও দেওয়া হয়। আমার মা তার সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন কিন্তু সে তাসখেন্ত চলে যাওয়ার পর আমরা আর তাকে খুঁজে পাইনি।”

তাঁর অভিযোগ, দুর্ঘটনায় শাস্ত্রীর মৃত্যুর হয়েছে বলে প্রচার করা হলেও কয়েকটি মিসিং লিঙ্কের সমাধান আজও পাওয়া যায়নি। যেমন শাস্ত্রীজির একটি ব্যক্তিগত ডায়েরি আজও হাতে পায়নি তাঁর পরিবার। এমনকী, শাস্ত্রীজি সবসময় সঙ্গে একটি থার্মোফ্লাস্ক রাখতে, তার পানীয়তেও কেউ বিষ মেশাতে পারে বলে অভিযোগ করেছে অনিল শাস্ত্রী।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর আরেক পুত্র তথা বিজেপি নেতা সুনীল শাস্ত্রীও বলেছেন, “বাবার মৃত্যু পর যারা প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, তাদের কাছে দরবার করা সত্ত্বেও কেউ বাবার মৃত্যু সংক্রান্ত নথিপত্র প্রকাশ্যে আনার আগ্রহ দেখাননি।” লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর পৌত্র তথা আরেক বিজেপি নেতা সিদ্ধার্থনাথ সিং অবশ্য আশাবাদী,  মোদীজি তাঁর পরিবারের ইচ্ছাকে গুরুত্ব অবশ্যই দেবেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।