গুয়াহাটি: পূর্বোত্তর রাজ্য অসমের গোয়ালপাড়া জেলার রঙ্গজুলি এলাকায় লাদেন আতঙ্কে কাঁপছে মানুষ৷ শুধু সাধারণ মানুষই নয় প্রশাসনও যার পর নেই শ্রান্ত পর্যুদস্ত৷ বেশ কয়েক বছর ধরে এই এলাকায় লাদেন আতঙ্কে দিন কাটছে মানুষের৷ ইতিমধ্যেই লাদেন মেরে ফেলেছে তিরিশ জনকে৷ লাদেনের বয়স তিরিশ বছর৷ আট ফুট লম্বা এক বন্য হাতির নাম লাদেন৷ যাকে ধরার চেষ্টা করেও সফল হচ্ছেনা প্রশাসন৷ যে পরিমাণ ত্রাস তৈরি করেছে সে, তাতেই স্থানীয়রা তার নাম দিয়েছেন লাদেন৷

এদিকে লাদেনকে কোনও হাতির দলই নেওয়ার জন্য রাজি নয়৷ গোয়ালপাড়া জেলার বনাধিকারীক ঐশ্বরিয়া গোস্বামী জানিয়েছেন স্থানীয়রা এই হাতিটিকে ২০১৫ সালে প্রথম দেখেন৷ তখন এই হাতিটি মেঘালয়ের গারো পাহাড় থেকে নেমে এসেছিল৷ এক বছর ধরে সে চারটি হাতির একটি দলের সদস্য ছিল৷ কিন্তু গত দু’বছর ধরে সে একাই ঘুরে বেড়াচ্ছে৷ গারো পাহাড় থেকে নেমে আসা আর দুটি হাতি রঙ্গজুলি গোয়ালপাড়া এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে৷ বনাধিকারীক জানিয়েছেন গত তিন বছরে হাতিদের যাতায়াতের পথে স্থানীয় মানুষেরা কব্জা করে বসে আছে৷ হাতিরা যেখান থেকে এসেছে সেই গারো পাহাড়ে ফিরে যেতে চাইলেও পারছেনা৷ কারণ সেই জায়গাগুলি কব্জা করে বসে থাকা মানুষেরা তাদের সেই পথে গেলেই সেখান থেকে তাড়িয়ে দিচ্ছে৷ এদিকে লাদেনকে তার দল বহিষ্কার করে দিয়েছে৷ কোনও দলই তাদের মধ্যে লাদেনকে নিতে চাইছেনা৷

এই কারণেই লাদেনের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে৷ তারই বহিঃপ্রকাশ সে রাগ দিয়ে করে৷ তার কারণেই হয়ত সে এতগুলো মানুষের প্রাণ নিয়েছে৷ গোস্বামী জানিয়েছেন এই কারণেই হয়ত সে অন্যের প্রতি রেগে গিয়ে তার ওপর হামলা করে৷ প্রায়শই সে সন্ধ্যে বেলা বা গভীর রাতে মানুষের ওপর হামলা করে৷ এখন তো লাদেন রাস্তার ওপর দিয়েই ঘুরে বেড়ায়৷ যখনই সেই রাস্তায় কাউকে দেখে তাকে লাথি মারতে কিমবা তার ওপর হামলা করতে ছুটে যায়৷ গ্রামের মানুষ লাদেনকে দেখলেই বোমা ফাটাতে থাকে ড্রাম বাজিয়ে কিমবা নানা উপায়ে তাকে ভয় পাওয়ানোর চেষ্টা করে৷ এর ফলে সে ভয় পেয়ে গিয়েই লোকের ওপর হামলা করে বসে৷ রাতে ধানের জমিতে ফসল খেতে বেরোয় সে৷ তার ফলেই আরও বেশি মানুষ তার শিকার হয় ও প্রাণে মারা যায়৷ গত ছ’মাসে সে চার জনকে মেরে ফেলেছে৷ গত তিন বছরে তিরিশ জনকে মেরে ফেলেছে৷

বেশ কয়েকদিন ধরেই বনবিভাগ তার গতিবিধির ওপর কড়া নজর রেখেছে৷ লাদেন বেশ চালাক৷ প্রতিটা হামলার পরেই সে বেশ কিছু দিনের জন্য গায়েব হয়ে যায়৷ বনাধিকারীক লাদেনকে ধরার জন্য বেশ কিছু পরিকল্পনা তৈরি করেছেন ও তার ওপর কাজ চলছে৷ যা কয়েকদিনের মধ্যেই কার্যকরী করা হবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।