নয়াদিল্লি: গত ৯ মাস ধরে উত্তপ্ত প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা৷ চোখে চোখ রেখে দাঁড়িয়ে রয়েছে ভারতীয় সেনা৷ এই অবস্থায় রবিবার নবম দফা বৈঠকে বসে ভারতীয় সেনা ও লাল ফৌজ৷ বৈঠকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি)-য় ‘মুখোমুখি অবস্থান থেকে সেনা পিছনো’ (ডিসএনগেজমেন্ট)-র দাবি জানায় ভারত৷ পাশাপাশি ‘সেনা সংখ্যা কমানো’ (ডিএসক্যালেশন)-র দাবিও তোলা হয়েছে ভারতীয় সেনার তরফে। গতকাল পূর্ব লাদাখের মলডোতে বসেছিল এই বৈঠক৷

জানা গিয়েছে, রবিবার সকাল ১০টায় কোর কমান্ডার স্তরের বৈঠক শুরু হয়৷ শেষ হয় সোমবার রাত আড়েইটের নাদাগ৷ প্রায় ১৫ ঘণ্টা ধরে ম্যারাথন বৈঠক চলে৷ চুসুলের ঠিক বিপরীতে মলডোতে নবম দফা বৈঠকে লাল ফৌজের সামনে সম্পূর্ণ ডিসএনগেজমেন্টের দাবি তোলে ভারত৷ ভারতীয় সেনার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন লে-র এইচকিউ ১৪ কর্পস-এর কোর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল পিজিকে মেনন৷

গত বছর থেকেই শুরু হয় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার এই টানাপোড়েন৷ টানা ৯ মাস ধরে চলছে এই সংঘাত৷ সীমান্তে প্রায় ১ লক্ষ ভারতীয় ও চিনা সেনা মোতায়েন রয়েছে৷ এলএসি-তে মোতায়েন চিনা সেনার সংখ্যা কমানো না হলে ভারতও একতরফা ভাবে সেনা কমাবে না বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং৷ এর আগে গত ৯ নভেম্বর অষ্টম দফা বৈঠকে দু’তরফেই নির্দিষ্ট কিছু বিতর্কিত এলাকা থেকে সেনা পিছনোর কথা বলা হয়েছিল৷ কিন্তু অবস্থার উন্নতি হয়নি৷

গত বছর জুন মাসে গালওয়ান উপত্যকায় রক্ত ঝরে৷ চিনা আগ্রাসনে শহিদ হন ২০ ভারতীয় সেনা৷ চিনের দিকে প্রাণহানির সংখ্যাটা আরও বেশি হলেও, সরকারি ভাবে এই বিষয়ে কোনও রিপোর্ট প্রকাশ করেনি বেজিং৷ গতকালের বৈঠক থেকে দু’পক্ষ কী সিদ্ধান্তে পৌঁছল সে বিষয়ে এখনও জানা যায়নি৷ তবে গত ১০ সেপ্টেম্বর মস্কোয় ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র মধ্যে যে পাঁচ দফা চুক্তি হয়েছিল সে বিষয়ে কথা হয়েছে বলে সূত্রের খবর৷ সাঙ্ঘাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন সামিটের পাশাপাশি এই বৈঠক করেছিলেন তাঁরা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।