মস্কো: বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টের সেরা উদীয়মান ফুটবলার তিনি৷ ছিলেন গোল্ডেন বলের দৌড়েও৷ লুজনিকি স্টেডিয়ামের ফাইনাল ম্যাচে ৬৫ মিনিটে ছুঁয়েছেন কিংবদন্তি পেলেকে৷ এরকম অনেক কটি রেকর্ড দিয়ে এবারের বিশ্বকাপ-সফর সাজিয়েছেন ১৯ বছরের ফরাসি ফরোয়ার্ড৷ ২০১৭ থেকে ফরাসি ক্লাব পিএসজিতে রয়েছেন এমবাপে৷ বিশ্বকাপে এমন অনন্য পারফরম্যান্সের জন্য বিশ্বের বড় বড় ক্লাবগুলি তাঁকে মোটা অঙ্কের অফার দেবে এটাই স্বাভাবিক৷ তবে অফার যাই থাক, তিনি যে আপাতত ক্লাব পরিবর্তন করেছেন না তা জানিয়ে দিলেন তরুণ ফরাসি ফরোয়ার্ড৷

বিশ্বকাপের সবকটি ম্যাচ মিলে মোট ৪টি গোল করেছেন এমবাপে৷ গোলসংখ্যায় ইংল্যান্ড অধিনায়ক গোল্ডেন বুট হ্যারি কেনের পরেই রয়েছেন এমবাপে৷ ১৯৫৮ বিশ্বকাপে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলে সবচেয়ে কম বয়সে বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করার রেকর্ড করেছিলেন৷ প্রায় ৬০ বছর পর কনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ফাইনালে গোল করে পেলেকে স্পর্শ করার কৃতিত্ব অর্জন করলেন এমবাপে৷ লুজনিকি স্টেডিয়ামে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে ফ্রান্সের দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জেতে ফ্রান্স৷ ম্যাচের ৬৫ মিনিটে ফ্রান্সের হয়ে চতুর্থ গোলটি করেন ১৯ বছর ২০৭ দিন বয়সি এমবাপে৷ বাঁ-দিক থেকে লুকা হার্নান্ডেজের পাশ ধরে প্রায় ২২ গজ দূর থেকে বিশ্বকাপে তাঁর চতুর্থ গোলটি করেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড৷

যদিও বিশ্বকাপ ফাইনালে সবচেয়ে কমবয়সি খেলোয়াড় হিসেবে গোল করার রেকর্ড এখনও পেলের দখলেই৷ ১৯৫৮ বিশ্বকাপের ফাইনালে সুইডেনের বিপক্ষে ৫-২ ব্রাজিলের জয়ে ১৭ বছর ২৪৯ দিন বয়সে জোড়া গোল করেছিলেন পেলে৷ দ্বিতীয় সর্ব কণিষ্ঠ হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করা এমবাপেকে টুইটারে অভিনন্দন জানান ব্রাজিলের হয়ে তিনটি বিশ্বকাপ জয়ী পেলে৷

বিশ্বকাপ জয়ের পর প্যারিস সেন্ট জার্মান ক্লাব ছাড়ার ব্যাপারে এমবাপেকে জানান, ‘আমার কেরিয়ার এই শুরু হয়েছে৷ আমি এখন পিএসজিতে থাকব৷ ওখানেই খেলতে চাই৷ এখানে থেকে ভালো ফুটবল খেলে যেতে চাই৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।