কলকাতা- বাংলা চলচ্চিত্র জগতে নক্ষত্র পতন। দীর্ঘ ৪০ দিন লড়াইয়ের পরে আজ রবিবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন কিংবদন্তি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫। তবে কথায় রয়েছে শিল্পীর মৃত্যু হয় না।

তাই বাঙালির হৃদয়ে ও স্মৃতিতে যে তিনি চিরকালীন তা বলাই বাহুল্য। তিনি বাঙালির ফেলুদা। সোনার কেল্লা ছবিতে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে মুকুলের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন কুশল চক্রবর্তী। তখন কুশলের বয়স মাত্র ৬। এক সংবাদমাধ্যমের কাছে শৈশবের স্মৃতিচারণ করলেন অভিনেতা।

তিনি বললেন, আমার তখন ৬ বছর বয়স। সোনার কেল্লার সময় থেকেই শুরু করে ৪৫ বছর ধরে আমার ওঁর সঙ্গে দীর্ঘদিনের যোগাযোগ। ওঁর সঙ্গে বহু ছবিতে কাজ করেছি। একজন মানুষ দাদাসাহেব ফালকে সহ সর্বোচ্চ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। কিন্তু তাঁর ব্যবহারে কখনও আমাদের মনে হয়নি সেটা। সোনার কেল্লার পরে বড় হয়েও বেশ কিছু ছবিতে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে অভিনয় করেছেন কুশল।

কিন্তু প্রয়াত অভিনেতা এতই আন্তরিক ছিলেন যে তাঁর ব্যবহারে কখনও মন হয়নি যে তিনি বড় মাপের অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত একজন ব্যক্তিত্ব। কুশল স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলছেন, হয়তো শ্যুটিং আগে শেষ হয়ে গিয়েছে আর উনি পাশের ঘরে বসেছেন। কিন্তু কাঁধে ব্যাগ নিয়ে বেরনোর সময় বলছেন, কুশল আমার আজ প্যাক আপ হয়ে গিয়েছে। কাল তোর সঙ্গে দেখা হবে! উনি একটা একটা যুগ। উনি একটা যুগের ধ্বজাধারী।

অন্যদিকে, ‘অপু’ দিয়েই শুরু। তখনও বোধহয় কেউ ভাবেননি এভাবে সাত দশক ধরে ছাপ রেখে যাবেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তবে জহুরির চোখ দিয়েই বোধ হয় রত্ন চিনে নিয়েছিলেন সত্যজিত রায়। আর সেখানেই নায়িকা ছিলেন শর্মিলা। অর্থাৎ শর্মিলার সঙ্গেই পথ চলা শুরু সৌমিত্রের। তারপর ৭০ বছরের যাত্রা অভিনেতার। তাঁর মৃত্যুতে ভেঙে পড়লেন শর্মিলা। সংবাদমাধ্যমে কথা বলতে গিয়ে স্মৃতিচারণ করলেন তিনি।

শুধু ‘অপুর সংসার’ নয়, অরণ্যের দিনরাত্রি এবং আবার অরণ্যের মত ছবিতে আউটডোর শ্যুটিং-এর কথাও উল্লেখ করেন তিনি। সেইসময় গল্প হত তাঁদের। শর্মিলা একথা বলতে গিয়ে ভেঙে পড়েন। শুভেন্দু, সৌমিত্রের মত সহ শিল্পীদের একে একে চলে যাওয়া মানতে পারছেন না তিনি।

সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ভেঙে পড়েন অপর্ণাও। বলেন, মাথার উপর থেকে ছাতা সরে গেল। শেষের দিকেও ‘বহমন’ ও ‘বসু পরিবার’ -এও একসঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। শেষের দিকেও শ্যুটিং-এ গিয়ে বই পড়া, গান শোনা নিয়ে গল্প হত বলে জানিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।