চৈত্রের শুরুতেই তীব্র গরমের দাবদাহ, দিন যত যাচ্ছে তাপমাত্রার পারদ তরতর করে বাড়ছে। একদম নাজেহাল অবস্থা। মন চাইছে পাহাড়ে ছুটে চলে যেতে। ঘুরে আসুন পাহাড়ি শহর কার্শিয়াং। কার্শিয়াং শহরটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪৮৬০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। এই শান্ত নিরিবিলি হিল স্টেশনের সৌন্দর্য্য অপরূপ। নামহীন পাহাড়ি ফুলের আনাগোনা, চারিদিক পাইনে ঘেরা সবুজের মাঝে মেঘের সাথে লুকোচুরি। পাহাড়ি ঝর্ণাধারা নতুন করে তার প্রেমে ফেলতে আপনাকে বাধ্য করবে। কার্শিয়াংকে অনেকে ‘ল্যান্ড অফ হোয়াইট অর্কিড’ নামে চেনে।

কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে ট্রেনে করে নিউ জলপাইগুড়ি। সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে কার্শিয়াং। শিলিগুড়ি থেকে কার্শিয়াং ৫০ কিমি দূরে অবস্থিত। আপনি তাই শিলিগুড়ি হয়েও যেতে পারেন। যাত্রাপথের সৌন্দর্য অপরূপ। যাত্রাপথে পড়বে অনেক দোকান সেখানেই কোথাও সেরে নিন ব্রেকফাস্ট।

কোথায় থাকবেন: আপনি চাইলে কার্শিয়াং থাকতে পারেন অথবা সকালে রওনা দিয়ে সারাদিন ঘুরে বিকেলে শিলিগুড়ি বা নিউ জলপাইগুড়িতে ফিরেও আসতে পারেন। যদি থাকতে চান কার্শিয়াংয়ে থাকার মতো অনেক হোটেল আর হোম স্টে আছে। যেখানে খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থাও বেশ ভালো।

দর্শনীয় স্থান: কার্শিয়াং যাওয়ার পথেই দেখেনিন কার্শিয়াং ভিউ পয়েন্ট। এখান থেকে আশেপাশের দৃশ্য মনোরম। এখানেই রয়েছে নবনির্মিত ‘আই লাভ কার্শিয়াং’ লেখা লোগো। তার সামনে দাঁড়িয়ে কার্শিয়াংকে সাক্ষী রেখে ছবি তুলতে যেনো ভুলে যাবেন না। কার্শিয়াং থেকে খুব তাড়াতাড়ি পৌঁছে যান ডাউহিল। এখানের রাস্তাটি গা ছমছম পরিবেশ, যাঁরা অ্যাডভেঞ্চার ভালোবাসেন তাদের বেশ ভালো লাগবে। আরেকটু এগিয়ে পাবেন ভিক্টোরিয়া বয়েজ স্কুল যা ভৌতিক যায়গা হিসেবে বিখ্যাত। ডাউহিল ভারতের অন্যতম বিখ্যাত ভৌতিক যায়গা। যদি সাহস হয় তবে সেখানে কিছুক্ষণ দাড়িয়ে গা ছমছমে পরিবেশে পাইনের সৌন্দর্য্য উপভোগ করেনিন। সেখান থেকে ঘুরে দেখেনিন চিমনি হেরিটেজ গার্ডেন।সেখানে রয়েছে ২৩ ফুট দীর্ঘ ১০০ বছরেরও বেশি পুরানো একটু চিমনি যা প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের সময় নির্মিত। এর পাশেই রয়েছে একটি সুন্দর গ্রাম বাগোরা। সেখানে রয়েছে অনেক হোম স্টে ও খাবারের দোকান। এখানে দুপুরের খাওয়া সেরে নিয়ে আবার কার্শিয়াং শহরের দিকে ফিরে আসতে থাকুন। সেখান থেকে তিনধারা হয়ে ঘুরে আসুন পাগলা ঝরা ঝর্না। তবে আর দেরি না করে জলদি কার্শিয়াং ভ্রমণের প্ল্যান করে ফেলুন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।