স্টাফ রিপোর্টার, কুপার্স: রাত পোহালেই কুপার্স নোটিফায়েড এলাকার নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সমস্ত বুথকেই ভিডিওগ্রাফির আওতাভুক্ত করা হয়েছে।

১২ টি ওয়ার্ড বিশিষ্ট কুপার্স নোটিফায়েড এলাকার মধ্যে একটি ওয়ার্ডে ইতিমধ্যেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেছে তৃনমুল। ভোট হবে ১১ টি ওয়ার্ডে। মোট ভোটার ১৪ হাজার ৯৬৬ জন। পুরুষ ভোটার ৭ হাজার ৪৫৭জন এবং মহিলা ভোটার ৭হাজার ৫০৯জন। মোট বুথের সংখ্যা ১৯। বুথগুলিকে ৪টি সেক্টরে ভাগ করেছে কমিশন। প্রার্থীর সংখ্যা ৩২৷লড়াইয়ে রয়েছেন তৃনমুলের ১১, সিপিএমের ৭ , বিজেপির ১১ ও ৩ জন নির্দল প্রার্থী৷

রানাঘাটের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট তথা কুপার্সের সহকারি নির্বাচন আধিকারিক ভাস্কর মজুমদার জানান, ১, ৫ ও ১১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে বিরোধীরা অভিযোগ জানিয়েছিল। তাই সমস্ত বুথকেই উত্তেজনা প্রবন হিসাবে দেখা হচ্ছে। প্রতি ওয়ার্ডে থাকছে ভিডিওগ্রাফি। সকাল ৭ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত পুরোটাই ভিডিও হবে। ভোটের পর সেগুলি কমিশন দেখবে। এই কারনে সমস্ত ভিডিওগ্রাফারদের পুলিশ ভেরিফিকেশন করা হয়েছে। তারা কোন রাজনৈতিক দলের সমর্থক কিনা তাও দেখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, রাজ্য পুলিশ দিয়েই ভোট হবে৷ থাকবে অতিরিক্ত ৮ টি মোবাইল ভ্যান৷সেগুলি ভোটের সময় টহল দেবে। ২৪ ঘন্টা আগে থেকেই শুরু হয়েছে নাকা চেকিং।

২০১২ সালের নির্বাচনে ১২ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১ টি তৃনমুল ও ১১ টিতে কংগ্রেস জয়ী হয়। এবার কুপার্সে ২ টি ওয়ার্ডে শাসকের সাথে নির্দল প্রার্থীর লড়াই এবং বাকি ৯ টি ওয়ার্ডে শাসকের সাথে বিজেপির লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা। এই প্রথম পুরো শক্তি দিয়ে কুপার্সে লড়ছে বিজেপি। তবে বিজেপি-র তরফে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি জানানো হয়েছিল। কারন তাঁদের দাবি, রাজ্য পুলিশ থাকলে সুস্থ ভোট হবে না। ইতিমধ্যেই শাসক দলের বিরুদ্ধে বাইরে থেকে গুন্ডা বাহিনী আনার অভিযোগ উঠেছে। তবে সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

প্রসঙ্গত, ভোটের আগেই কংগ্রেসের শঙ্কর সিং কে দলে টেনে কুপার্স দখল করতে মরিয়া ঘাসফুল। তবে গোষ্ঠী দ্বন্দের জেরে জেরবার তৃণমূল। শেষ পযর্ন্ত গোষ্ঠী কোন্দল কাটিয়ে কুপার্স এ ঘাসফুল ফোটে কিনা সেদিকেই তাকিয়ে ওয়াকিবহাল মহল।