স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : সারদাকাণ্ডে এক মাসের মধ্যে ফের ইডির মুখোমুখি কুণাল ঘোষ৷ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইডি তলব করে, এবং সেই মতো কুণাল ঘোষ বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে হাজির হন৷ এদিন প্রায় দু’ঘণ্টা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (ইডি)।

এদিন জিজ্ঞাসাবাদের পর বেরিয়ে যাওয়ার সময় কুণাল ঘোষ জানান, এর আগে ইডি আমাকে যা জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল তা সম্পূর্ন করতে পারিনি। তাই আজ এসেছি। তাদের যা জিজ্ঞাসাবাদ ছিল তার উত্তর দিয়েছি। এর আগে সারদা-কাণ্ডের তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকে। গত শুক্রবার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

চিটফান্ড কেলেঙ্কারি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেরেক ও’ব্রায়েনকে জুলাইয়ের ২৬ তারিখ সমন পাঠিয়েছিল সিবিআই। এর আগেও ডেরেককে ডেকে পাঠিয়েছিল সিবিআই। কিন্তু সংসদে অধিবেশন নিয়ে ব্যস্ত থাকার জন্য এতদিন যেতে পারেননি বলে জানিয়েছেন তিনি। এর আগে ডেরেক অভিযোগ করেছিলেন, কেন্দ্র সিবিআইের সাহায্যে বারবার তাঁকে আক্রমণ করার চেষ্টা করছে। যেহেতু তৃণমূল আরটিআই অ্যামেণ্ডমেণ্টের বিরোধীতায় সরব হয়েছে। এছাড়া গত বৃহস্পতিবার দুপুর ২টো নাগাদ সল্টলেক সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে হাজিরা দিতে এসেছিলেন তৃণমূলের তারকা-সাংসদ শতাব্দী রায়।

যদিও সারদার টাকা ফেরত দিতে চেয়ে আগেই ইডিকে চিঠি দিয়েছেন শতাব্দী রায়। সেদিন ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে যাবার সময় তিনি বলেন, টাকা ফেরতের বিষয় তার সঙ্গে কোনও কথা হয়নি। উল্লেখ্য, গত ১৭ জুলাই শতাব্দী রায়, কুণাল ঘোষ সহ ছ’জনকে নোটিশ পাঠিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শুধু ডেরেক ও’ব্রায়েন নয়, দীনেশ ত্রিবেদী এবং তমোনাশ ঘোষকেও নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

মনে করা হচ্ছে, পুজোর আগেই যাতে চূড়ান্ত চার্জশিট দেওয়া যায়, তার চেষ্টা করা হচ্ছে। সারদার টাকা প্রভাবশালীদের কাছে আদৌ পৌঁছেছিল কি না, তা খুঁজে বের করাই মূল লক্ষ্য। সেই কারণে তৃণমূলের পদাধিকারীদের সঙ্গে কথা বলা জরুরি। রাজনৈতিক নেতাদের কে কে প্রভাব খাটিয়ে সারদা-সহ বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থাগুলিকে ঘুরপথে আমানতকারীদের থেকে টাকা তুলতে সাহায্য করেছিলেন এবং লগ্নি সংস্থার প্রচার মাধ্যমগুলি থেকে অহরহ প্রচার পেয়েছিলেন, তা-ও তদন্তের আওতায় রেখেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.