কলকাতা: ফের সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দতরে হাজিরা তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের। সারদাকাণ্ডের তদন্তে কুণাল ঘোষকে ডেকে পাঠায় ইডি। তলব পেয়ে সোমবার নির্ধারিত সময়ে ইডি-র দফতরে হাজিরা দেন কুণাল ঘোষ। সারদাকাণ্ডের তদন্তের সঙ্গে যুক্ত একাধিক বিষয় নিয়ে এদিন ফের কুণালকে জিজ্ঞাসাবাদ কেন্দ্রীয় সংস্থার। এদিন ইডি দফতের ঢোকার সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, ‘‘আগেও আমাকে যখন ডাকা হয়েছে এসেছি। তদন্তে সবরকম সাহায্য করেছি।’’

বিধানসভা ভোট শিয়রে। তার আগে এরাজ্যে কয়লা ও গরু পাচার কাণ্ডে তদন্তে গতি বাড়িয়েছে সিবিআই। একইভাবে সারদা কেলেঙ্কারি নিয়ে জোরদার তৎপরতা শুরু করেছে কেন্দ্রীয় একাধিক সংস্থা। ভোটের মুখে শাসকদলের উপর চাপ বাড়াতেই এই তৎপরতা বলে কোনও কোনও মহল থেকে অভিযোগ তোলা হচ্ছে। এমনকী তৃণমূলের একাংশের নেতারাও এব্যাপারে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলে অভিযোগ করেছেন। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, বিরোধী দলগুলিকে সিবিআই, ইডি দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে বিজেপি।

এর আগেও সারদা মামলায় কুণাল ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডিকেও নানা তথ্য জানিয়েছেন কুণাল। এদিন আবারও সারদা কেলেঙ্কারি নিয়ে কুণাল ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠায় ইডি। ফের নির্ধারিত সময়েই এদিন সকালে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন কুণাল।

বিধানসভা ভোটের মুখে ইতিমধ্যেই রাজ্যে কয়লা ও গরু পাচার নিয়ে তদন্তে গতি বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। রাজ্যজুড়ে তল্লাশি অভিয়ান চালাচ্ছে সিবিআই। কয়লাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ফেরার। তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে সিবিআই। কয়লাকাণ্ডে প্রভাবশালীদের একাংশের যোগ রয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। অনুপকে ধরা গেলেই চাঞ্চল্যকর একাধিক তথ্য হাতে আসতে পারে বলে অনুমান তদন্তকারীদের।

একইভাবে রাজ্যের গরু পাচার কাণ্ড নিয়েও সমানভাবে সক্রিয় সিবিআই। ইতিমধ্যেই গরু পাচার কাণ্ডে অনেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মালদহ, মুর্শিদাবাদা-সহ একাধিক জেলা গিয়ে অভিযান চালিয়েছেন গোয়েন্দারা। গরু পাচার কাণ্ডের অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত বিনয় মিশ্র। শাসকদলের সঙ্গে যুক্ত থাকা এই অভিযুক্তেরও হদিশ নেই। বিনয় মিশ্রের খোঁজেও হন্যে হয়ে ঘুরছে সিবিআই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।