স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: মহাসমারোহে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহাষ্টমীর কুমারী পুজোর আয়োজন করা হয় হাওড়ায় বেলুড় রামকৃষ্ণ মঠে। এই উপলক্ষে বুধবার সকাল থেকেই বেলুড় মঠ চত্বরে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হয়৷

এদিন সকাল ন’টা নাগাদ শুরু হয় কুমারী পুজো। সকলের মঙ্গল কামনাতেই হয় এই কুমারী পুজো। নিষ্ঠা, ভক্তি ও আন্তরিকতাই এই পুজোর মূল মন্ত্র। সালঙ্কারা কুমারীকে দেবীজ্ঞানে পুজো করাই মঠের রীতি।

একদা সারদা মায়ের উপস্থিতিতে স্বামীজী নিজে কুমারী কন্যাকে দেবীরূপে পুজো করেছিলেন। ১৯০১ সালে স্বামী বিবেকানন্দ শুরু করেছিলেন বেলু়ড় মঠের দুর্গাপুজো। সেই বছরই কুমারী পুজোর প্রচলন করেছিলেন তিনি। পাঁচ থেকে বারো বছর বয়স্কা কোনো বালিকাকে নির্বাচন করা হয় এ পূজার জন্য। মাতৃরূপে পূজা করা হয় সেই বালিকাকে।

আরও পড়ুন : জানেন অষ্টমীতে কোয়েলের প্রধান কাজটা কি?

এবছর কুমারী রূপে নির্বাচিত করা হয় বি.গার্ডেন হাওড়ার বাসিন্দা সলভিয়া মুখোপাধ্যায়কে। তার বয়স ৫ বছর ৯ মাস ২৪ দিন। বাবা সৈকত মুখোপাধ্যায়। মা মৌমিতা মুখোপাধ্যায়। কুমারীকে দেবী শুভগা রূপে পুজো করা হয়। ষোড়শ উপাচারে কুমারী কন্যাকে দেবী রূপে পুজো করা হয় এদিন৷

কুমারী পুজো উপলক্ষে বেলুড় মঠে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছিল হাওড়া সিটি পুলিশ। নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয় মঠ চত্বরকে। ঢল নামে মানুষের৷