রাজকোট: মহাত্মা’র শহরে হারের বদলা নিল কোহলি অ্যান্ড কোং৷ শুক্রবার সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ান ডে ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ৩৬ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে সমতা ফেরাল ভারত৷ এই ম্যাচে ১০০ উইকেটের মাইলস্টোন টপকে যান কুলদীপ যাদব৷ এক ওভারের তাঁর জোড়া উইকেটই ভারতে ম্যাচে ফেরায়৷

ভারতের দ্রুততম স্পিনার হিসেবে ওয়ান ডে ক্রিকেটে ১০০ উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছন কুলদীপ৷ টপকে যান হরভজন সিংয়ের রেকর্ড৷ মাত্র ৫৮টি ম্যাচে একশো উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছন ভারত৷ আর ওয়ান ডে ক্রিকেটে একশো উইকেটের মাইলস্টোন টপকাতে ৭৬টি ম্যাচে এই মাইলস্টোনে পৌঁছে ছিলেন ভাজ্জি৷ ২০০৩ সালে এই রেকর্ড গড়েছিলেন ভারত৷

তবে ভারতের দ্রুততম বোলার হিসেবে ওয়ান ডে ক্রিকেটে একশো উইকেটের মাইল স্টোন ছুঁয়েছেন টিম ইন্ডিয়ার দুই পেসার মহম্মদ শামি ও জসপ্রীত বুমরাহ৷ শামি ৬৭টি এবং বুমরাহ ৫৭টি ম্যাচ খেলেছেন৷ এদিন অস্ট্রেলিয়া ইনিংসের ৩৮তম ওভারে জোড়া উইকেট নিয়ে ভারতকে ম্যাচ ফেরান কুলদীপ৷ সেই সঙ্গে নিজে মাইলস্টোনে পৌঁছন৷ ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারিতে অজি উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান অ্যালেক্স ক্যারিকে আউট করে ওয়ান ডে ক্রিকেটে ১০০ উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছন ভারতীয় চায়নাম্যান বোলার৷ তার পর ওভারের পঞ্চম ডেলিভারিতে স্টিভ স্মিথের উইকেট তুলে নেন কুলদীপ৷ ব্যক্তিগত ৯৮ রানের কুলদীপের বলে প্লেড-অন হন স্মিথ৷

কুলদীপ ভারতের মধ্যে দ্রুততম স্পিনার হলেও বিশ্বের দ্রুততম বোলার হিসেবে ওয়ান ডে ক্রিকেটে ১০০ উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছনোর রেকর্ড রয়েছে আফগান স্পিনার রশিদ খানের৷ মাত্র ৪৪টি ম্যাচে মাইলস্টোন ছুঁয়ে রেকর্ড গড়েছেন রশিদ৷ তারপর অস্ট্রেলিয়ার পেসার মিচেল স্টার্ক ৫২টি ম্যাচে ১০০টি উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে৷ তিন নম্বরে রয়েছেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি অফ-স্পিনার সাকলাইন মু্স্তাক৷ তিনি এই মাইলস্টোনে পৌঁছেছিলেন ৫৩টি ম্যাচে৷

এদিন ৩৪১ রান তাড়া করতে নেমে ৩০৪ রানে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া৷ শুরুতেই মনীশ পাণ্ডের বিশ্বমানের ক্যাচে ডেভিড ওয়ার্নারের ড্রেসিংরুমে ফেরার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তি অ্যাডিনালিন পান ভারতীয় ক্রিকেটাররা৷ কারণ প্রথম ম্যাচে দুই ওপেনারের অপরাজিত সেঞ্চুরির দাপটে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে লজ্জার হার হমজ করেছিল ভারত৷ কিন্তু এদিন তা হতে দেয়নি ভারতীয় বোলাররা৷ ২০ রানেই অস্ট্রলিয়ার ওপেনিং জুটি ভেঙে দেন মহম্মদ শামি৷

রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ওয়ার্নারের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া৷ ইনিংসের চতুর্থ ওভারে মহম্মদ শামির দ্বিতীয় ডেলিভারি স্কোয়ার কার্ট করতে গিয়ে মনীশের হাতে ধরা পড়েন ওয়ার্নার৷ ধারাভাষ্যকাররা লাফিয়ে মনীশের এক হাতে ক্যাচকে বিশ্বমানের বলে ব্যাখ্যা করেন৷ ব্যক্তিগত ১৫ রানে ড্রেসিংরুমে ফেরেন ওয়ার্নার৷

এর আগে প্রথম ব্যাটিং করে ৬ উইকেটে ৩৪০ রান তোলে ভারত৷ ধাওয়ান ৯৬, রাহুল ৮০ এবং কোহলি ৭৮ রান করেন৷ রোহিত ও ধাওয়ান ওপেনিং জুটিতে ৮১ রান যোগ করার পর দ্বিতীয় উইকেটে ক্যাপ্টেন কোহলির সঙ্গে সেঞ্চুরি (১০৩) পার্টনারশিপ গড়ে ভারতীয় ইনিংসকে মজবুত ভিতের উপর দাঁড় করিয়ে দেন ধাওয়ান৷ রোহিত শর্মা ৪২ রান করেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I