নয়াদিল্লি: দেশের প্রথম চায়নাম্যান বোলারকে নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটের প্রত্যাশা কম ছিল না। সেই প্রত্যাশার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের শুরুটাও চমৎকার করেছিলেন কুলদীপ যাদব। সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটে সবচেয়ে সাবলীল হলেও ইতিমধ্যেই জাতীয় দলের জার্সিতে ৮টি টেস্ট খেলা হয়ে গিয়েছে তাঁর। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে চূড়ান্ত অফ-ফর্মের কারণে সবক’টি ফর্ম্যাটেই কার্যত ব্রাত্য কুলদীপ। বাদ পড়েছেন আসন্ন ইংল্যান্ড সফরগামী ভারতীয় স্কোয়াড থেকেও। আর সাম্প্রতিক অফ-ফর্মের কারণে এই চায়নাম্যান বোলার একপ্রকার দায়ী করলেন দলে উপদেষ্টা হিসেবে দলে মহেন্দ্র সিং ধোনির অভাবকেই।

সম্প্রতি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কুলদীপ সাফ জানালেন ধোনির নেতৃত্বের অভাব প্রতিপদে অনুভব করেন তিনি। কুলদীপ জানিয়েছেন, ‘কখনও কখনও আমি তাঁর (ধোনির) উপদেশ ভীষণ মিস করি। ওনার অভিজ্ঞতার কোনও তুলনা হয় না। উনি আমাদের উইকেটের পিছন থেকে দারুণভাবে গাইড করতেন। সারাক্ষণ চিৎকার করে যেতেন। আমি ওনার অভিজ্ঞতা মিস করি।’ পরিবর্ত ঋষভ পন্ত উইকেটরক্ষক হিসেবে কেমন?

উত্তরে কুলদীপ বলেছেন, ‘ও যত বেশি ম্যাচ খেলে পরিণত হবে, ভবিষ্যতে তত অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে পারবে। আমার মনে হয় প্রত্যেক বোলারের একজন এমন পার্টনার দরকার যে উইকেটের পিছন থেকে সবসময় ইশারা দিয়ে যাবে।’ ভারতীয় ক্রিকেটে সাড়াজাগানো কুল-চা (কুলদীপ-চাহাল) জুটি প্রসঙ্গে বলতে গিয়েও ধোনির অবসর প্রসঙ্গে টেনে আনেন কুলদীপ। ধোনি অবসর নেওয়ার পর তিনি আর চাহাল একসঙ্গে জাতীয় দলের প্রথম একাদশে আর সেভাবে সুযোগ পাননি বলেও আক্ষেপ করেন কানপুরের স্পিনার।

পাশাপাশি চতুর্দশ আইপিএলের জন্য নাইটরা তাঁকে রিটেইন করলেও স্থগিত হয়ে যাওয়ার আগে অবধি একটি ম্যাচেও একাদশে সুযোগ পাননি কুলদীপ। তিনি কী এতোটাই খারাপ হয়ে গিয়েছেন? ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন ‘চায়নাম্যান’ বোলার। কুলদীপের কথায়, ‘সম্প্রতি আরও হতাশ হয়েছি কলকাতা নাইট রাইডার্সের একাদশে সুযোগ না পেয়ে। আমি অবাক হয়ে ভেবেছি আমি কী এতোটাই খারাপ? যদিও এটা টিম ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্ত। তাদের গিয়ে প্রশ্ন করা শোভা পায় না। চেন্নাই’য়ে টার্নার পিচেও আমাকে সুযোগ দেওয়া হয়নি দেখে আমি হতবাক হয়েছিলাম কিন্তু কিচ্ছু করার ছিল না আমার।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.