দ্য হেগ: বুধবার বিশ্ব ন্যায় দিবস৷ আর আজই পাক জেলে বন্দি মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত প্রাক্তন ভারতীয় নৌসেনা আধিকারিক কুলভূষণ যাদব মামলার সম্ভাব্য রায়দান৷ ইতিমধ্যেই নেদারল্যান্ডের দ্য হেগে পৌঁছে গিয়েছেন পাকিস্তানের আইনজ্ঞ দল৷ তবে এই মামলা জেতার বিষয়ে আশাবাদী ভারত৷

মূল তিনটি কারণের উপর ভর করে কুলভূষণ যাদবের ফাঁসি রদের বিষয়ে স্বপ্ন দেখছে নয়াদিল্লি৷ কুলভূষণের মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে ১৯৬৩ সালের ভিয়েনা বৈঠকের শর্তাবলী লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে দাবি জানিয়েছে দিল্লি। তাঁকে যে জেলে বন্দি করা হয়েছে, তা পাক সরকারের তরফে যথা সময়ে জানানো হয়নি বলেও অভিযোগ জানায় ভারত৷

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ১১ এপ্রিল কুলভূষণ যাদবকে মৃত্যুদণ্ড দেয় পাকিস্তানের সামরিক আদালত। তাঁর বিরুদ্ধে চরবৃত্তির অভিযোগ আনা হয়। পাক আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে আবেদন জানায় ভারত। আন্তর্জাতিক আদালতে কুলভূষণ যাদবের মৃত্যুদণ্ড সাময়িক ভাবে স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয় আন্তর্জাতিক আদালতের ১০ সদস্যের বেঞ্চ। মামলা চলাকালীন এরপর মোট পাঁচটি আবেদন করে ইসলামাবাদ।

চরবৃত্তির অভিযোগের জেরে কুলভূষণের তথাকথিত স্বীকারোক্তির ভিডিয়োও আন্তর্জাতি আদালতে পেশ করা হয়। কিন্তু প্রতিটি আবেদনই খারিজ করে বেঞ্চ৷ গত ১৮ ফেব্রুয়ারি হেগ-এ আন্তর্জাতিক আদালতের সদর দফতরে মামলার চার দিন ব্যাপী শুনানি চলে।

সেই শুনানিতে কুলভূষণের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী হরিশ সালভে৷ ভারতের প্রাক্তন সলিসিটার জেনারেল হরিশ সালভে সই সময় জানিয়েছিলেন, ‘‘নির্দিষ্ট প্রমাণ দিয়ে কুলভূষণকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ভারতের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছিল, কিন্তু পাকিস্তান তা মানতে চায়নি। কুলভূষণের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ পাকিস্তান করেছে তা ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন সালভে৷