নয়াদিল্লি: পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বড়সড় জয় ভারতের। সোমবার কুলভূষণ যাদব মামলায় ভারতের তরফে আইনী প্রতিনিধি নিয়োগের অনুমতি দেওয়া হোক, পাকিস্তান সরকারকে এমন নির্দেশ দিয়েছে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট।

এর আগে, ভারত বা কুলভূষণ যাদবের কোনও অনুমতি ছাড়াই লিগাল কাউন্সিল নিয়োগ করেছিল পাক সরকার। কুলভূষণ মামলার শুনানি পিছিয়ে সেপ্টেম্বর মাসে করা হয়েছে। মে মাসে পাক সরকারের ‘২০২০ সালে আন্তর্জাতিক আদালতে পুনর্বিবেচনা অর্ডিন্যান্স’ অনুযায়ী সোমবার শুনানি হয়েছে।

অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী, পাকিস্তান মিলিটারি হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য ৬০ দিনের মধ্যে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে পিটিশন ফাইল করা যেতে পারে।

এই অর্ডিন্যান্সে বলা হয়েছে। ২০১৭ সালে পাক মিলিটারি কোর্টের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মৃত্যুদণ্ডের পুনর্বিবেচনা চেয়ে রিভিউ পিটিশন ফাইল করতে পারবেন।

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ভারত প্রথম কনসুলার অ্যাকসেস পায় ৷ ৩ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানে ভারতের ডেপুটি হাই কমিশনার গৌরব আলুওয়ালিয়ার সঙ্গে দেখা হয় কুলভূষণ যাদবের৷ পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রকে পৌঁছলে তারপরেই কথা বলতে দেওয়া হয় কুলভূষণের সঙ্গে৷

জুলাই মাসের ১৮ তারিখ, তৃতীয়বার কুলভূষণ যাদবের কনসুলার অ্যাকসেস দিল পাকিস্তান। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি জানিয়েছেন কুলভূষণ যাদবের কনসুলার অ্যাকসেস দেওয়া হয়েছে। তবে এবার এই সাক্ষাতে কোনও পাক আধিকারিক উপস্থিত থাকবেন না বলে জানানো হয়েছে। এর আগে দ্বিতীয় বারের জন্য যখন কনসুলার অ্যাকসেস দেওয়া হয়, তখন ভারতের অভিযোগ ছিল পাকিস্তান আন্তর্জাতিক আদালতের নির্দেশ মানছে না।
ভারতীয় নৌসেনার প্রাক্তন কর্মী, ৪৯ বছরের কুলভূষণ যাদবকে ২০১৭ সালে গুপ্তচরবৃত্তি ও সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেয় পাকিস্তানের আদালত। আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত গত বছরের জুলাই মাসে ভারতকে কনস্যুলার অ্যাকসেস দেয় এবং কুলভূষণের মৃত্যুদণ্ডের রায়কে পুনর্বিবেচনা করার কথা বলে।

উল্লেখ্য, গত তিন বছর ধরে কুলভূষণ যাদবের কনসুলার অ্যাকসেস চেয়ে আসছে ভারত৷ কিন্তু তা মানতে চায়নি পাকিস্তান। পরে আন্তর্জাতিক আদালতে মুখ পোড়ে পাকিস্তানের। জানিয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তানকে অবশ্যই কনস্যুলার অ্যাকসেস দিতে হবে। প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক আদালতের কাছে এই ইস্যুতে রীতিমত ভৎর্সিত হতে হয় পাকিস্তানকে৷

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা