ইসলামাবাদ: কুলভূষণ মামলায় (Kulbhushan Case) স্বস্তির খবর সামনে এল। আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী ভারতীয় কুলভূষণ যাদবকে (Kulbhushan Jadhav) আপিল করার অধিকার দেওয়ার জন্য বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের জাতীয় সংসদ (National Assembly of Pakistan) একটি বিল পাস করেছে। অর্থাৎ এই বিল অনুযায়ী যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে কুলভূষণ যাদব আপিল করতে পারবে।

আগেই আন্তর্জাতিক আদালত, পাকিস্তানের জাতীয় সংসদকে (National Assembly of Pakistan) বিচারের সিদ্ধান্তটি “পর্যালোচনা ও পুনর্বিবেচনা” করা নির্দেশ দিয়েছে। অপরদিকে বিরোধী দলগুলির বিরোধিতা সত্ত্বেও, ২০২০ সালে ইমরান খান (Imran Khan) সরকার কুলভূষণ যাদবের (Kulbhushan Jadhav) মামলায় আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে জাতীয় পরিষদে একটি অধ্যাদেশও জারি করে। ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে পাকিস্তানের ইসলামাবাদ হাইকোর্ট (Islamabad High Court) কুলভূষণ যাদব মামলায় পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রককে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয়। কুলভূষণ মামলায় আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য ভারতকে (India) তার এক্তিয়ার সম্পর্কিত অবস্থানটি ব্যাখ্যা করা উচিত বলে জানানো হয়।

উল্লেখ্য, অবসরপ্রাপ্ত ভারতীয় নৌবাহিনী অফিসার কুলভূষণ যাদবকে (Kulbhushan Jadhav) পাকিস্তান সামরিক আদালত ‘গুপ্তচরবৃত্তি ও সন্ত্রাসবাদের’ অভিযোগে ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে মৃত্যুদণ্ডে দন্ডিত করে। মিথ্যা মামলা বলে দাবি ভারতের| তাঁর উপর শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও তুলেছে ভারত|তারপর ভারত আন্তর্জাতিক আদালতের শরণাপন্ন হয়।

ভারতীয় নৌসেনা আধিকারিক কুলভূষণ যাদবকে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই ইরান থেকে অপহরণ করে। পরে ইসলামাবাদ (Islamabad) দাবি করে যে, কুলভূষণ আদতে ভারতীয় গুপ্তচর। এই কারণেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পাক জেলে বন্দি কুলভূষণকে কূটনৈতিক সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করেছে ভারত। কিন্তু পাকিস্তান সেই প্রস্তাব প্রতিবারই খারিজ করে দিয়েছে। ইসলামাবাদের এই আচরণের প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক আদালতে আবেদন করে ভারত। পাকিস্তানকে কুলভূষণের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড আপাতত কার্যকর করতে নিষেধ করে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অফ জাস্টিস। আন্তর্জাতিক আদালতের নির্দেশেই কুলভূষণের মা ও স্ত্রী তাঁর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.