রাজকোট: আহত ঋষভ পন্তের বদলি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ওয়ান-ডে’তে ব্যাকআপ হিসেবে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হল কেএস ভারতকে। উল্লেখ্য, মুম্বইয়ে প্রথম ওয়ান-ডে ম্যাচে প্যাট কামিন্সের বল হেলমেটে আঘাত করায় ফিল্ডিং করতে নামেননি ঋষভ। কনকাশন রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে মনীশ পান্ডে নামেন দলের হয়ে ফিল্ডিং করতে। অন্যদিকে গ্লাভস হাতে উইকেটের পিছনে দেখা গিয়েছিল কেএল রাহুলকে।

২৮ রান করা পন্তকে ওয়াংখেড়ে ম্যাচের পরই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর প্রোটোকল অনুযায়ী তাঁকে রিহ্যাবের জন্য পাঠানো হয়েছে বেঙ্গালুরুতে ন্যাশনাল ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে। স্বাভাবিকভাবেই রাজকোটে ওয়ান-ডে থেকে ছিটকে যেতে হয় পন্তকে। তাঁর ব্যাকআপ হিসেবে ডাক পড়ল ৭৪টি প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ খেলা অন্ধ্রের উইকেটরক্ষকের। ৯টি শতরান ও ২২টি অর্ধশতরান সহ প্রথম শ্রেনীর ম্যাচে ভরতের সংগৃহীত রানসংখ্যা ৪,১৪৩।

আরও পড়ুন: ধোনিকে জানিয়েই চূড়ান্ত হয়েছে চুক্তি সংক্রান্ত সমস্ত সিদ্ধান্ত: বোর্ড আধিকারিক

প্রথম ম্যাচে উইকেটকিপিং গ্লাভস হাতে স্টাম্পের পিছনে দাঁড়ানো লোকেশ রাহুলে আস্থা রাখলেও কভার হিসেবে ভরতকে পাঠানো হয়েছে রাজকোটে। তবে এটাই প্রথম নয়, এর আগে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক দিন-রাতের টেস্টে ঋদ্ধিমান সাহার কভার হিসেবে দলের সঙ্গে স্কোয়াডে ছিলেন তরুণ এই উইকেটরক্ষক। তবে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে তাঁকে স্কোয়াড থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় রঞ্জি খেলার জন্য।

আরও পড়ুন: আইএসএল খেলার জন্য প্রয়োজনে অর্থ জোগাবেন সমর্থকেরাই, জানালেন লাল-হলুদ শীর্ষকর্তা

উল্লেখ্য, প্রথম ম্যাচে আহত পন্তের মাথায় স্ক্যান করা হয় হাসপাতালে। যদিও স্ক্যানের রিপোর্ট সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। শারীরিক ভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ পন্তও হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে এখন এনসিএ-তে। রিহ্যাবিলিটেশন প্রক্রিয়ায় কতটা সাড়া দেন পন্ত, এখন সেটাই দেখার। আর তার উপরেই নির্ভর করছে তৃতীয় ম্যাচে তাঁর মাঠে থাকা না থাকার বিষয়টি।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প